শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর আবার করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে প্রয়োজনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর সরকারি কলেজে বিডিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের হার যদি আশ’ঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায় তখন অবশ্যই শিক্ষামন্ত্রণায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিবে এবং আমরাও সেভাবে পরামর্শ দিবো।

তিনি বলেন, আমরা তো চাইবো না আমাদের ছেলে-মেয়েরা সংক্র’মিত হোক। অনেক দেশেই তো স্কুল কয়েকবার খুলেছে, বন্ধ করেছে আবার খুলেছে। আমাদের দেশেরও আমরা একই নীতি অনুসরণ করবো।

এসময় ১২-১৭ বছর বয়সীদের টিকাদানে এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দেয়নি বলেও জানান জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও অনুমতি দিলে শিশুদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের করোনা আক্রা’ন্তের হার কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ মাসে দুই কোটি টিকা পাওয়া যাবে। গণটিকা কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা আসবে আগামী তিন মাসে। কোভ্যাক্স থেকে ১০ কোটি টিকা কেনা হবে।

এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্ন্ধ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও একই কথা বলেছেন। তিনি জানান, করোনা সংক্র’মন কমাতেই মূলত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত এসেছে। তবে ফের যদি করোনা সংক্র’মণ বেড়ে যায় তাহলে যে এলাকায় করোনা সংক্র’মণ বাড়বে সেই এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলছিলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকার কারণে কোথাও যদি সংক্র’মণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেখানে আমরা সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো। এমনকি যদি স্থানীয় পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই কারণে বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন হয় আমরা সেই সিদ্ধান্ত নেবো।

কোনোভাবেই আমরা শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে অবহেলা করবো না বলেও জানান দীপু মনি।

আরও পড়ুন