বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

উখিয়ায় সাফা ইয়াছমিন (২৫) এর পরকী’য়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় ব্যাংকার স্বামীকে প্রধান আসামি করে উখিয়া থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যা’তন দমন আইনে মাম’লা দায়ের করেছে।

মাম’লা সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার দক্ষিণ তারাবনিয়ার ছড়া গ্রামের হাজী খুইল্যা মিয়ার মেয়ে সাফা ইয়াছমিন (২৫) এর সাথে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ঘিলাতলী গ্রামের আবু আহামদের ছোট ছেলে রিদুয়ানুল হক বাপ্পি (৩৭) এর বিয়ে হয় ২০১৬ সালে। বর্তমানে তাদের সংসারে রাদিয়া ইলমা কুচেম নামের ৩ বছরের একটি শিশু কন্যা সন্তান রয়েছে।

মামলার আসামি রিদুয়ানুল হক বাপ্পি সাংবাদিকদের জানান, আমাদের সুখের সংসার চলে আসছিল। অদৃষ্টের নির্মম পরিহাসে গত ১ বছর ধরে সাফা সংসারের প্রতি অমনযোগী হয়ে বাচ্চার প্রতি অবহেলা ও পিতা মাতার প্রতি রূঢ় আচরণ করে আসছিল। যা মোটেই কাম্য নহে। গুরুত্বর অভিযোগ গত কয়েক মাস ধরে সাফা গভীর রাতে কে বা কার সঙ্গে কথা বলছিল। ১৭ জুলাই রাত ৩টার দিকে মোবাইলে প্রেমালাপ করার সময় হাতে নাতে ধরে ফেলি।

এ সময় চাপের মুখে সাফা স্বীকার করে বলেন পূর্বের প্রেমিক হাবিব নামের এক ছেলের সাথে ফোনালাপ করছিল। বিষয়টি বাপ্পি তাৎক্ষণিক সাফার পিতা মাতাকে অবহিত করলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। জীবনের নিরাপত্তার জন্য মাম’লার বিবাদী সাফার স্বামী রিদুয়ানুল হক বাপ্পি কক্সবাজার পুলি’শ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উখিয়া থা’নার অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সনজুর মোর্শেদ জানান, মা’মলার তদন্ত কাজ চলছে। বাপ্পির বয়োবৃদ্ধ পিতা আবু আহামদ তার একমাত্র নাতির ভবিষ্যত কামনা করে ছেলে আর বউয়ের মধ্যে পূর্বের জীবন ফিরে আসুক কামনা করেছি।

আরও পড়ুন