শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

ট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি এলাকায় ছয় দু’র্বৃত্তের খ’প্পর থেকে এক যুবতীকে বাঁচাতে পুলিশকে ফোন করেছিলেন রিকশাচালক আবদুল হান্নান। এরপর পুলিশ গিয়ে ওই যুবতীকে উদ্ধার ও তিনজনকে গ্রে’ফতার করে। পরে আরও তিনজনকে গ্রে’ফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রিকশাচালক আবদুল হান্নানকে পুরস্কৃত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

বুধবার (২০ জুলাই) দুপুরে সেই রিকশাচালককে পুরস্কৃত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। নিজ কার্যালয়ে ডেকে এনে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন পুলিশ কমিশনার।

সিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে এক যুবতী রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। এসময় তিন যুবক রিকশা থামিয়ে ওই নারীকে ফ্লা’ইওভারের নিচের একটি টঙ ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে ওই নারীকে ‘ধ’র্ষণ করা হয়।

ঘটনা দেখতে পেয়ে রিকশাচালক আবদুল হান্নান জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, রিকশাচালক আবদুল হান্নানের মতো সবাই সচেতন হলে, একে অপরের বিপদে এগিয়ে এলে দেশ অনেক সুন্দর হবে। অপরাধও কমে যাবে। কেউ বিপদে পড়লে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে সুফল পাওয়া যায়। আমরা রিকশাচালকের ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে টিম পাঠাই।

তখন ভিকটিম নারীকে উদ্ধারের পাশাপাশি তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে পালিয়ে যাওয়া অন্য তিনজনকেও গ্রেফতার করা হয়। এরপর সোমবার তিনজনকে ও অন্য তিনজনকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন