সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ট্রাক চাপায় মায়ের পে’ট ফে’টে জন্ম নেয়া সেই শিশুর জ’ন্ডিস ভালো হয়েছে। তবে শিশুর শ্বা’সকষ্ট, বুকের ও ডান হাতের ফ্যা’কচার পুরোপুরি ভালো হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। শনিবার (২৩ জুন) বিকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ও শিশুর চিকিৎসায় গঠিত পাঁচ সদস্য মেডিকেল বোর্ডের সদস্য সচিব ডা.নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ওই নবজাতক নগরীর লাবিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে গত সোমবার (১৮ জুলাই) রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে ওই নবজাতকের জ’ন্ডিস, ঘাড়ে এং ডান হাতে ফ্যাকচার ধরা পড়ে। এই ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করে হাসপাতালের এনআইসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নবজাতকের জন্ডিস ভাল হলেও বুকের ও ডান হাতের হাড়ের ফ্যাকচার পুরোপুরি ভালো হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। তবে, নবজাতক শংকামুক্ত আছে বলেও জানান তিনি।

শিশুটির দাদা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশুটিকে দেখতে না পেরে খারাপ লাগছে। অন্যের মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছি শিশুটি ভালো আছে। দুর্ঘটনার পর থেকে অনেকে নানা ভাবে আমাদের সহযোগিতা করছে। ঘরে পর্যাপ্ত খাবার রয়েছে। তবে, শুরু থেকেই প্রশাসন ও সাংবাদিকরা অনেক সহায়তা করেছে আমাদের।

উল্লেখ্য, ১৬ জুন দুপুরের পরে উপজেলার রাইমনি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৪০), তার অস্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রত্না আক্তার (৩০), মেয়ে সানজিদা আক্তারকে (৬) নিয়ে আল্টাসনোগ্রাফি করাতে ত্রিশালে আসেন। পৌর শহরের খান ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে জাহাঙ্গীর আলম, স্ত্রী রত্না এবং মেয়ে তিনজনেরই মৃ’ত্যু হয়। এসময় ট্রাক চাপায় রত্নার পেট ফেটে কন্যা শিশুর জন্ম হয়।

আরও পড়ুন