সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম যখন একজন নারীর বিয়ে করা নিয়ে শিরোনামে ‘আবার’, ‘ফের’, ‘পুনরায়’ শব্দ ব্যবহার করে বাড়তি কাটতি পাওয়ার জন্য, তখন সাধারণ মানের কোনো অনলাইন পোর্টালের দোষ খুঁজে কী উদ্ধার হবে ?

সত্যি বলতে আমাদের প্রজন্মের পরে যাদের হাতে এই দেশের ভবিষ্যৎ, তাদের বিভ্রান্ত হবার জন্য নতুন কোনো অস্ত্রের প্রয়োজন নেই। মানসিকতার বিবর্তনে এসব গণমাধ্যম কর্মী, গণমাধ্যমই যথেষ্ট।

একমুখে প্রগতির কথা বলা, সেই একই মুখে পশ্চাৎপদ মনোভাব বজায় রেখে কেউ যখন নিজেদের সেরা দাবী করতে থাকেন ক্রমাগত, তখন জাতির জন্য অশুভ শক্তি আর কী হতে পারে?

একই গণমাধ্যম যখন নারীর অধিকার, নারী আন্দোলন, নারীর সম্মানের ঠিকাদারি নিয়ে ফেলার মত দায়িত্ব প্রদর্শন করতে উৎসুক, তখন এমন সব সিরিয়াস আলোচনার ভেতরে শুধু ব্যবসায়ী মনোভাবটা ধরা পড়ে যায়, মনে হয় সবই লোক দেখানো।

পূর্ণিমা কিংবা যেকোন নর-নারী কতবার বিয়ে করবেন, কতবার বিচ্ছিন্ন হবেন, সেটা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয়। এই বার্তাটাই সুষ্ঠভাবে আমাদের গণমাধ্যমগুলোর করার কথা ছিলো। অথচ আমরা হারিয়েছি অতল গহবরে। এখান থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

এমন কোনো কর্মশালাও নিশ্চয়ই আমাদের তথাকথিত ‘সেরা’ গণমাধ্যম থেকে ঘোষণা আসা সময়ের ব্যাপার মাত্র। [ফেসবুক থেকে সংগৃহীত]

লেখক: চলচ্চিত্র নির্মাতা

আরও পড়ুন