বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:৪২ অপরাহ্ন

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের মামলায় মাউশির কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর হালদার ওরফে মিল্টনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (ডিবি)। মিল্টন ৩১তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা। রবিবার (২৪ জুলাই) রাতে রাজধানী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (২৫ জুলাই) তাকে আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত হয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা। এতে ৫১৩টি পদের বিপরীতে অংশ নেন প্রায় পৌনে দুই লাখ চাকরিপ্রার্থী। এরপর থেকেই নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিলের জোর দাবি উঠে।

নিয়োগ পরীক্ষাতে প্রশ্নফাঁস হয়েছে, গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের কাছে এমন তথ্য ছিল। ইডেন মহিলা কলেজে অভিযান চালিয়ে সুমন জমাদ্দাদ নামে একজনকে আটক করা হয়। তার প্রবেশপত্রে ছোট ছোট অক্ষরে লেখা ছিল উত্তর।

তাকে আটকের পর প্রশ্নফাঁসের চাঞ্চল্যকর তথ্য পায় গোয়েন্দারা। তার মোবাইল চেক করে দেখা যায়, পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগেই একটি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ৭০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর চলে আসে।

তার দেওয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় সাইফুল ইসলাম নামে এক স্কুল শিক্ষককে। সাইফুল পটুয়াখালীর খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিতের সহকারী শিক্ষক। সুমন আর সাইফুলের দেওয়া তথ্যে বেরিয়ে আসে মূল হোতাদের নাম। গোয়েন্দারা জানতে পারেন প্রশ্নফাঁসে জড়িত খোদ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের কয়েকজন। এরা হলেন, অধিদফতরের উচ্চমান সহকারী আহসান হাবীব, অফিস সহকারী নওশাদুল ইসলাম। এর বাইরেও আসে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষক রাসেদুল ইসলামের নাম।

আরও পড়ুন