মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ এর লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দেন অন্য একজন। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষা দিতে আসেন পরীক্ষার্থী নিজেই। আজ সোমবার (২৫ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে মো. মুজিবুর রহমান নামের ওই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। তার বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাটে।

জানা যায়, মুজিবুর রহমান নামের এক পরীক্ষার্থীর হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন অন্য পরীক্ষার্থী। তবে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় মূল পরিক্ষায় অংশ নেন তিনি নিজেই। ভাইভা বোর্ডে তার হাতের লেখা মিলিয়ে দেখার সময় লেখার সাথে পরীক্ষায় লেখার মিল না থাকায় সন্দেহ হয়। অতিরিক্ত পরে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মিল্টন বিশ্বাসের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রক্সির কথা স্বীকার করেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আবু রায়হান দোলন বলেন, আটক পরীক্ষার্থী গত ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় পেকুয়া উপজেলার মানিক নামে তার এক বন্ধুর মাধ্যমে ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ‘প্রক্সি’ দিয়ে পাস করেন। আজ সোমবার মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হলে হাতের লেখা যাচাই-বাছাই করা হয়। এসময় লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার হাতের লেখার মিল না পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ অভিযোগে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বাদী হয়ে একটি নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন ১০০ জনের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। এর আগে গত ১ জুন জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখার অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করা ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার সময় আটক করে সাজা দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন