শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনকে যদি বাঁচিয়ে রাখা না যায় পলিটিকস উধাও হয়ে যাবে। পলিটিকস থাকবে না। পলিটিকসও বলা যাবে না, গণতন্ত্রও বলা যাবে না। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) নির্বাচন ভবনে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপে বসে তিন এমন মন্তব্য করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনকে যদি বাঁচিয়ে রাখা না যায় পলিটিকস উধাও হয়ে যাবে। পলিটিকস থাকবে না। পলিটিকসও বলা যাবে না, গণতন্ত্রও বলা যাবে না। তখন আপনারা যদি অন্য কোনো পন্থায় চলে যান ভিন্ন কথা। আপনাদের বক্তব্য আমরা অবশ্যই বিবেচনা করবো। নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পারি সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ লাগবে। সবার সহযোগিতা ও সমর্থন আমরা চাইবো।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে দায়িত্ব পালন করবে এর ওপর আপনাদের নজরদারি রাখতে হবে। আমাদের কোনটা উচিত হয়নি বা অপকর্ম হয়ে গেছে, আমরা আন্তরিকভাবে আশা করবো আপনারা নির্দ্বিধায় সঙ্গে সঙ্গে সেটা ফাইন্ড আউট করবেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন সহজ কাজ নয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কঠিন একটি কাজ। এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা লাগবে। আমরা বারবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেছি। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলে মানুষের পারসেপশনের একটা পরিবর্তন হয়। তবে অংশগ্রহণ হলেই যে অবিচার বা ভোটচুরি হবে না তা নয়। কিন্তু অংশগ্রহণ হলে একটা ভারসাম্য সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, প্রতিটা কেন্দ্রে যদি বড় বড় দলগুলো থাকে তাহলে যে কর্মীরা, সমর্থকরা, তারাই আমার কাজটা সহজ করে দেয়। আমি চাই অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অবশ্যই আমরা ওইভাবেই চাইবো।

বিকল্প ধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়। এত অন্যদের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ছাড়াও চার নি্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন