শুক্রবার, ০১ Jul ২০২২, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

সময়ের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে যে কয়জন অভিনেত্রী বিনোদন প্রেমীদের হৃদয়ের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাঁর মধ্যে পরীমনি অন্যতম। এই পর্যন্ত ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আলোচনায় এসেছেন বহুবার। ফের খবরের শিরোনাম হলেন এই বিউটি কুইন।

নতুন খবর হচ্ছে, ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি ও সদ্য বদলিকৃত ঢাকা মহানগর পু’লিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) গোলাম সাকলায়েনের একটি ‘গোপ’ন’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

একুশে টেলিভিশনের সাবেক সাংবাদিক ও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ইউটিউব চ্যানেলে গত ১০ আগস্ট সন্ধ্যার দিকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়।

ফাঁস হওয়া ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘পরীমনি ও পু’লিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের গো’পন ভিডিও! সাকলায়েন পরীমনির সঙ্গে তার অবৈ’ধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করলেও তাদের গোপন একটি ভিডিও আমাদের কাছে পাঠান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন পু’লিশ কর্মকর্তা।’

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা একজন প্রবাসী সাংবাদিক কীভাবে সংবেদনশীল এই ভিডিও পেলেন, কে বা কারা তাকে ভিডিওটি পাঠিয়েছে- তা নিয়ে চলছে আলোচনা। সাংবাদিক ইলিয়াস ভিডিওটি ‘একজন পু’লিশ কর্মকর্তা’র কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে দাবি করেছেন ক্যাপশনে।

সূত্রে জানা গেছে, ফাঁস হওয়া ভিডিওটি ঈদের পরের। এডিসি সাকলায়েনের বাসায় ধারণ করা এটি। বাসায় পরীমনি, তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি এবং তার গাড়ি চালক উপস্থিত ছিলেন। ভিডিওটি জিমি ধারণ করেছেন। বর্তমানে ডিবির হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছেন জিমি।

প্রশ্ন উঠেছে, জিমি বর্তমানে ডিবির রি’মান্ডে আছেন। তাহলে সাংবাদিক ইলিয়াস কীভাবে ভিডিওটি পেলেন? কে পাঠিয়েছে?

এ বিষয়ে ডিবি সূত্রের দাবি, পু’লিশের কেউ এই ভিডিও ছড়াতে পারে না। তাছাড়া এই ভিডিও পু’লিশের হাতে আসার কথা নয়। ভিডিওটি প্রবাসী সাংবাদিককে যিনি পাঠিয়েছেন, তিনি দুই পক্ষের পরিচিত কেউ। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যেই ভিডিওটি পাঠানো হয়েছে।

তবে সূত্রের ভাষ্য, পু’লিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের বাসায় পরীমনি যে গিয়েছিলেন এবং সিসি ক্যামেরার যে ফুটেজ ফাঁস হয়েছে, সেটিও কোনো পু’লিশ সদস্যের মাধ্যমেই হতে পারে। কারণ সাকলায়েন রাজারবাগ পু’লিশ লাইন্সের ভেতরে একটি ভবনে থাকতেন। সেই ভবনের পুরো দায়িত্ব পু’লিশের হাতেই।

পু’লিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো কর্মকর্তা যদি আচ’রণবিধি বা আইন ল’ঙ্ঘন করেন, তাকে তার দায় নিতে হবে। পরীমনিকে নিয়ে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন