সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৯:২৬ অপরাহ্ন

ফতুল্লার কুতুবপুরে দুই সন্তানের জননীকে অ’পহরণের ঘটনা ঘটেছে ৷ গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ইউনিয়নের রসুলপুরে ওই ঘটনা ঘটে। স্ত্রীর সন্ধান না পেয়ে ভুক্তভোগী স্বামী ফতুল্লা মডেল থানায় সম্রাট, তার পিতা শহীদ, ভাই মুন্না ও মাতা শিল্পীসহ অজ্ঞাতনামা আরো চারজনকে বিবাদী করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পাপ্পুর সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক সামিয়ার (ছন্মনাম) ২০১৪ সালে বিয়ে হয়৷ দাম্পত্য জীবনে তাদের দুইটি সন্তান রয়েছে। অভিযুক্ত যুবক সম্রাট প্রায়ই সামিয়াকে বিভিন্ন কু’রুচিপূর্ণ প্র’স্তাব দিতো ও ভ’য়ভী’তি দেখাতো৷ সামিয়া বিষয়টি অভিভাবকদের জানালে তারা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন৷ স্থানীয় লোকজন স’ম্রাটকে এরূ’প কাজে নি’ষেধ করলেও সম্রাট তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে।

গতকাল মঙ্গলবার সামিয়া রসুলপুরস্থ তার পিতার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একা রওয়ানা হয়। এসময় তার সাথে আপন বড়ভাই নয়নের বিয়ের জন্য গচ্ছিত রাখা দেড় ভরি স্বর্ণালংকার ও দুই লক্ষ আশি হাজার টাকা ছিল৷ পথিমধ্যে মা’দকা’সক্ত, মা’দক ব্যবসায়ী, বখা’টে স’ম্রাট ২,৩,৪ নং আসামীর প্ররোচনায় অ’জ্ঞাতনামা আরো চারজনকে নিয়ে সামিয়াকে অপ’হরণ করে৷ পাপ্পুসহ সামিয়ার বাবা-মা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সামিয়ার সন্ধান পাচ্ছেন না। এরপর থেকে স’ম্রাটের পরিবারের সদস্যেরা পাপ্পুসহ অন্যান্যদের নিয়মিত হু’মকি দিয়ে আসছে বলে জানা যায়৷ পাপ্পু-সামিয়া দম্পতির দুই সন্তানও মায়ের জন্য কান্না করছে।

এবিষয়ে পাপ্পু বলেন, স্ত্রীর জন্য আমরা সকলেই চিন্তিত। সম্রাট তাকে মে’রে ফেলা, বিদেশে পা’চার থেকে শুরু করে যেকোনো ক্ষ’তি করতে পারে৷ অন্যদিকে বাচ্চাদের কান্না থামানোই যাচ্ছে না৷ আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি৷ আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্ত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে৷

আরও পড়ুন