শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

একদিকে কমেছে গ্যাসের সরবরাহ, অন্যদিকে বেড়েছে দাম। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাধারণ মানুষ। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিঘ্নিত হচ্ছে দৈনন্দিন কার্যক্রম, বন্ধ হওয়ার পথে উৎপাদনমুখী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

জার্মানির সাধারণ জনগণ বলছেন, সরকারের উচিত হয়নি জ্বালানির জন্য বিদেশি উৎসের ওপর এতটা নির্ভরশীল হওয়া। ভুল নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে।

কোলন চেম্বার অব কমার্সের থরস্টন জিমারম্যান বলেছেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো জ্বালানি নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানির জন্য আমাদের নির্ভর করতে হয় অন্যের ওপর। অথচ গ্যাস পাবো কি পাবো না সেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয় মস্কো।

রাশিয়ার চাপে যখন জ্বালানি ব্যবহার কমাতে বাধ্য হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো, তখন বিদ্যুৎ রফতানি বাড়িয়ে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

জেলেনস্কি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভোক্তাদের কাছে বিদ্যুৎ রফতানি বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। যুদ্ধের মধ্যেও ইউরোপে রেকর্ড বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছি। কেবল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন নয়, আমাদের প্রতিবেশীদের জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে সহায়তা আমাদের লক্ষ্য। খবর ডেইলি মেইলের।

ইউরোপজুড়ে গ্যাসের দাম প্রায় ৬ গুণ বেড়েছে গত কয়েক মাসে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, আসন্ন শীত মৌসুমের আগে জ্বালানি সঙ্কটের সমাধান না হলে দেখা দিতে পারে চরম বিপর্যয়।

আরও পড়ুন