শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

আওয়ামী লীগ নেতাকে বি’বস্ত্র করে মা’রধ’রের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাইনুর ইসলাম রানার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গত বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে তিনি নিজে বাদী হয়ে মিরসরাই থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাইনুর ইসলাম রানাসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাতে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

অন্যান্য আসামিরা হলেন-ইমাম হোসেন শেখ, শাখাওয়াত হোসেন, সাঈদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মিনহাজ উদ্দিন, আবদুর রউফ, এমজাদ হোসেন আয়েছ, রাকিবুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও নুরের ছাফা। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৪-৫ জনকে।

গত ১৭ জুলাই এ ঘটনা ঘটলেও গড়িমসি করে ১০ দিন পর পুলিশ মামলা নিয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। ঘটনার ১০ দিন পর মা’রধরের শিকার নাছির উদ্দিন ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য।

এজাহারে বলা হয়, নাছির উদ্দিনের ওয়ারিশী সম্পত্তি কিনতে রানা দীর্ঘদিন ধরে তাকে প্র’স্তাব দিয়ে আসছিলেন। নাছির তার সম্পত্তি বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় রানা তাকে একাধিকবার হু’মকিও দিয়েছেন। গত ১৭ জুলাই দুপুরে রানার নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন যুবক স্থানীয় হাদি ফকিরহাট বাজারে গিয়ে নাছিরকে অ’তর্কিতভাবে মা’রধর শুরু করে। একপর্যায়ে তার হাত বেঁধে টেনেহিঁচড়ে বাজারের দক্ষিণ পাশে প’রিত্যক্ত একটি করাতকলে নিয়ে যায় হা’মলাকা’রীরা।

সেখানে একটি খুঁটির সঙ্গে নাছিরকে বেঁ’ধে বি’বস্ত্র করে র’ড দিয়ে এ’লোপা’তাড়ি পিটি’য়ে মা’রাত্মক আহত করেন আসামিরা। পৌনে এক ঘণ্টা নি’র্যাতনের পর তাকে প্রাণে মা’রার হুম’কিও দেওয়া হয়।

এ সময় নাছিরের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে না’ছিরকে বি’বস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা নাছির উদ্দিন।

তিনি বলেন, সর্বপ্রথম রানার নেতৃত্বে আমার ওপর হা’মলা চালায়। এরপর আমার গা’য়ের শার্ট ছিড়ে ফে’লে বি’বস্ত্র করে মা’রধর করে রানাসহ ১০ থেকে ১২ জন যুবক।

মিরসরাই থানার উপ-পরিদর্শক রাজিব পোদ্দার জানান, নাছির উদ্দিন গত বুধবার রাতে মাইনুর ইসলাম রানাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি।

এ বিষয়ে জানতে মামলার প্রধান আসামি মাইনুর ইসলাম রানাকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি তা ধরেননি। পরে এসএমএস করলেও তিনি সাড়া দেননি।

আরও পড়ুন