শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

“হাওয়া” সিনেমাটির “কালা কালা সাদা সাদা গানটি” ইতোমধ্যে দর্শকের মন জয় করেছেন। দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে সিনেমাটির অগ্রিম টিকিটও শেষ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৯ জুলাই) দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি। সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক প্রচারণায় নেমেছে পুরো টিম। যুক্ত হয়েছে শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকারাও।

এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, শরিফুল রাজ, নাফিজা তুষিসহ আরও অনেকে। মুক্তির আগেই দেশে বিদেশে, শহরে গ্রামে সব জায়গায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালিত প্রথম সিনেমা “হাওয়া”। গভীর সমুদ্রে নির্মিত ও জেলেদের জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমাটির নির্মাণের গল্পও আকৃষ্ট করছে দর্শকদের। বিভিন্ন প্রচার প্রচারণায় সেসব গল্প দর্শকদের সঙ্গে ভাগাভাগি করছেন সিনেমাটির পুরো টিম।

নাফিজা তুষি, রেদোয়ান রনির আইসক্রিম দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। তিনি “হাওয়া”য় অভিনয় করেছেন বেদে পল্লির “গুলতি” চরিত্রে। সিনেমাটির শ্যুটিং শুরু হয় ২০১৯ সালে এর এক বছর আগেই সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলিরা টিমওয়ার্ক শুরু করেছিলেন। তার নিজেদের চরিত্রের সঙ্গে পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানান তুষি।

অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তুষি বলেন, “এখন মনে হয় অসাধ্য সাধন করেছি। আমাদের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছয় মাস চরিত্রটি ধারণ করেছি। ছয় মাস বিছানায় ঘুমাইনি। মাছ কাটতাম। শাড়ি পরতাম। ‘গুলতি’ হয়ে ওঠার জন্য বেদেপল্লিতে গিয়েছি। ওদের সঙ্গে থেকেছি। ওদের খাবার খেয়েছি। ওদের ওয়াশ রুম ব্যবহার করেছি। শ্যুটিংয়ের সময় একমাস মোবাইল ফোনও ব্যবহার করিনি। অন্যরাও একই রকমভাবে নিজেদের চরিত্রের ভেতর ডুবে ছিল। আমরা জানতাম ‘ডু অর ডাই’ অবস্থা হতে যাচ্ছে। আমার করা সবচেয়ে কঠিন চরিত্র ‘গুলতি’।”

নিজের চরিত্র “গুলতি” নিয়ে জানতে চাইলে তুষি দর্শকের জন্যই সেই উত্তর রেখে দেন। তিনি জানান, “এটি একটি রহস্যময় চরিত্র। ওর মধ্যে যে রহস্য আছে তা ধাপে ধাপে উন্মোচন হয়। সে আসার পর থেকে গল্পের বাঁক বদলাতে থাকে। প্রেক্ষাগৃহে দেখলে দর্শক বুঝতে পারবে চরিত্রটি কেমন। দীর্ঘদিন পর দর্শককে হলমুখি হতে আগ্রহী করে তুলেছে “হাওয়া”। দর্শকের পরবর্তী প্রতিক্রিয়াই এখন দেখার বিষয়।”

আরও পড়ুন