বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমীর হোসেন আমু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ছিল তত্ত্ববধায়ক সরকার থাকবে। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশে সেটা আর রাখা সম্ভব হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে সবসময়ই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আমু বলেন, যারা নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে না সেটা কিন্তু তাদের চিরকালীন অভ্যাস। ইভিএমের বিরুদ্ধে কারও কোনো অভিযোগ নেই। ইভিএমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমনটি আমার জানা নেই। ইভিএমের বিরোধিতা করে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে বিএনপি।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ করে নির্বাচন কমিশন। রোববার (৩১ জুলাই) ইসির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ শেষে আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ওই সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে খালেদা জিয়াকে ফোন করেছিলেন। প্রথমে খালেদা জিয়া ফোন রিসিভ করেননি। সন্ধার পরে ধরলেও বলেন আমরা কোন আলোচনায় যাব না। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আপনারা যতগুলো মন্ত্রী রাখতে চান সবগুলো রাখা হবে। উনি বললেন আমার হরতাল প্রোগ্রাম আছে আলোচনায় বসতে পারবো না।

তারা কিন্তু অযৌক্তিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। কমিশন নির্বাচন করবে সেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আসার দাবি তো করা যায় না। এটা হলো অন্য বিষয়।’ আমীর হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ছিল তত্ত্ববধায়ক সরকার থাকবে। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশে সেটা আর রাখা সম্ভব হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে সবসময়ই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। ইভিএমে কিন্তু বিভিন্ন নির্বাচন করা হচ্ছে।

ইভিএমে কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এটা আমার জানা নাই। এখন তারা ইভিএমের ত্রুটি কিভাবে প্রমাণ করবে। এতোগুলো নির্বাচন হলো এবং নির্বাচনে তাদের কোন অভিযোগও নাই। তারাও কিন্তু ইভিএমের নির্বাচনে সব জায়গায় অংশগ্রহণ করছে। সুতরাং এই কথাগুলো বলে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে বিএনপি। ইসি যেভাবে নির্বাচন করবে আমরা সেভাবে সহযোগিতা করবো বলে জানান তিনি।’

সংলাপে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যদের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এছাড়া সংলাপে অন্যদের মধ্যে সিইসি ছাড়াও চার নির্বাচন কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন