মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন

পাউডার, পানি ও কে’মিক্যাল দিয়ে তৈরি হয় গাভীর দুধ! নকল এই দুধের সাথে সমপরিমাণ আসল দুধের মিশ্রণে ড্রাম ভর্তি দুধ চলে যায় মফস্বল থেকে রাজধানীতে। তৈরি হয় মিষ্টি, ছানা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিশু খাদ্য।

দিনের পর দিন এমন অস্বাস্থ্যকর দুধ খেয়ে স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের বাজারে এমন এক অসাধু ব্যবসায়ীর খোঁজ পায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় কেমিক্যাল মিশ্রিত দেড়শ লিটার দুধ জব্দ এবং বিনষ্ট করা হয়। সেইসাথে প্রস্তুতকারক ব্যবসায়ী আতাউর রহমানকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত অসাধু ব্যবসায়ী উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের বালুচড় এলাকার মৃত নোমাজ আলী পুত্র।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, পাউডার, পানি ও কেমিক্যাল দিয়ে বাড়িতেই বানানো হচ্ছে গরুর দুধ। গ্রামের গরুর খাঁটি দুধের চাহিদা থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রতিনিয়তই তৈরি করে যাচ্ছেন ভেজাল দুধ। রাতের অন্ধকারে ঘরে বসেই কেমিক্যাল দিয়ে বানানো শত-শত লিটার গরুর দুধ তৈরি করে এবং এই সকল নকল দুধ অর্ধ পূর্ণ ড্রামে করে বাজারে নিয়ে আসছে এবং সেই ভেজাল দুধের সাথে সমপরিমাণ খাঁটি দুধের মিশ্রণ ঘটিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আরা বলেন, জনসচেতনাতা এবং অসৎ ব্যবসায়িদের রুখতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সামগ্রিক স্বার্থে জনগণকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন