রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১০:৫০ অপরাহ্ন

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবে বলে দুজন আসামি একসঙ্গে হোটেলের একটি টয়লেটে যায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আসামিরা ফিরে না আসায় দায়িত্বরত পু’লিশ সদস্যরা টয়লেটের দরজা ভেঙে দেখেন ভেতরে কেউ নেই। তবে টয়লেটের জানালাটি ভাঙা ছিল।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থা’নার নারী ও শিশু নি’র্যাতন আইনের গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে ঢাকা থেকে নোয়াখালী নেওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ জন পু’লিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বহি’ষ্কার করা হয়েছে।

একইসঙ্গে মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী থানার পু’লিশ পরিদর্শক জিহান আহমদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পু’লিশ হেড কোয়ার্টারে জানানো হয়েছে।

বুধবার সকালে আদালতের নির্দেশে আসামিদের পু’লিশ হেফাজতে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। পরে ঢাকায় ডিএনএ টেস্ট শেষে দুপুরে নোয়াখালী আনার পথে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি হোটেল থেকে পা’লিয়ে যায় তারা।

প’লাতক আসামিরা হচ্ছেন- সোনাইমুড়ী উপজেলার মিয়ারপুর এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২৪), বগাদিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮)।

জানা গেছে, দুপুরে ঢাকা থেকে ফেরার পথে মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া আল মদিনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে পু’লিশ হেফাজতে দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য নামেন আসামিরা। এ সময় আসামিরা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবে বলে দুজন একসঙ্গে হোটেলের একটি টয়লেটে যান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আসামিরা ফিরে না আসায় দায়িত্বরত পু’লিশ সদস্যরা টয়লেটের দরজা ভেঙে দেখেন ভেতরে কেউ নেই। তবে টয়লেটের জানালাটি ভাঙা ছিল।

নোয়াখালী জেলা পু’লিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে আসামিদের ঢাকায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে নোয়াখালী আসার পথে হোটেলের টয়লেটের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় তারা।

পলাতক আসামিদের গ্রে’ফতারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অপরাধে ওই পু’লিশ কর্মকর্তা এবং অন্য সদস্যদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন