সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

ভালোবেসে বিয়ে করলেও দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে পারলেন না অ‌মিত রাজ। বিয়ের কয়েকদিন পরই শুরু হয় কলহ। দিন দিন এর মাত্রা বাড়তে থাকলে বিপাকে পড়েন দুই পরিবারের অভিভাবকরা। শেষমেশ স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করে অমিত বললেন- আল্লাহ আমাকে আরেকটি মিন্নির হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তার এমন অভিনব কা’ণ্ডের ছবি-ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।

অ‌মিত রাজের বাড়ি টাঙ্গাই‌লের মির্জাপু‌র উপ‌জেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। তিনি একই গ্রামের ম‌জিবুর রহমা‌নের ছে‌লে। শ‌নিবারের এ ঘটনা এলাকায় বেশ চাঞ্চ‌ল্যের সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে।

জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন অমিত। প্রেমের সম্পর্ক থেকেই প্রায় চার বছর আগে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয় কলহ। এর মধ্যে তাদের একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। তবে কলহের মাত্রা বাড়তেই থাকে। এ অবস্থায় দুই পক্ষের অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েন। প্রায় তিন মাস আগে অমিতের স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান।

এ ঘটনায় মির্জাপুর থা’নায় একটি জিডি করেন অমিত। এরপর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলের এসপির কাছে নারী নি’র্যাতনের অভিযোগ দেন স্ত্রী। এ নিয়ে তদন্ত করে জেলা ডিবি পু’লিশ।

শনিবার ডিবি অফিসে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশে বসেন। সালিশে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে অমিত রাজের স্ত্রী ডিভোর্স মেনে নেন। পরে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ডিভোর্স হয়। আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা স্ত্রীকে দিয়ে তার শিশু সন্তানকে নিজ বাড়িতে চলে আসেন।

অমিত রাজ বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর আইনিসহ পারিবারিক ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়েছি। এজন্য আমার দাদি দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে দিয়েছেন। পরে দাদি আমাকে ঘরে তুলে নেন। এখন আমি মুক্ত। এরপর আমি ফেসবুকে ছবি ও ভিডিও আপলোড দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, মানুষের মধ্যেই প্রেম আছে। প্রেম ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। আমার মধ্যেও প্রেম ছিল। ভালোবেসে একটি মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম। সুখী হতে পারিনি। আজ চার বছরের সংসার জীবনের সমাপ্তি ঘটল। আল্লাহ আমাকে রহম করে আরেকটি মিন্নির হাত থেকে রক্ষা করেছেন।

অমিত দাবি করেন, বিয়ের পর এক ছেলের সঙ্গে প’রকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তার স্ত্রী। তিন মাস আগে স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুন