শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশী প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবির দায়ে ৪জন বাংলাদেশী নারী পুরুষ ও একজন মালয়েশিয়ান নারী এখন আদালতের বিচারে মৃ’ত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদ’ণ্ডাদেশের মুখোমুখি হয়েছেন। একজন নীরীহ বাংলাদেশী কে অপহরণ করে তাকে বাঁচাতে হলে ৫০ হাজার রিংগিত যা বাংলাদেশী টাকায় ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল স্বজনের কাছে আসামিরা।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সিনার হারিয়ান। আজ এই ৫ অপহরণকারী কে কাজাং ম্যাজিষ্ট্যাট আদালতে শুনানির জন্য হাজির করা হয়েছিল।

পত্রিকাটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত ৩০ আগষ্ট রাতে জালান দামাই মেওয়াহ ১ এর পাসার মিনি মার্কেটের( মুদির দোকান) সামনে থেকে বাংলাদেশী সোহেল রানা(৩৯) নামে এক যুবক কে অপহরণ করেন এই ৫ অপহরণকারী। অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় পুলিশ কাজাং টেকনোলজি শহরের একটি বাড়ী থেকে অপহৃত সোহেল রানা কে উদ্ধার করেন।

অপহরণকারী ৫ জন হলেন, বাংলাদেশী নাগরিক রায়হান হোসেন(২৮), সোরাফ মিয়া(৩৩), নুসরাত জাহান বিপাশা(২৬), মোঃ জসিম (৩২) ও তার মালয়েশিয়ান স্ত্রী ফরিদাহ জিয়া স্লী রমেশ(২৭), তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অপহরণ বিরোধী জাতীয় আইন ১৯৬১ এর ৩য় ধারার (ক) উপধারায় স্থানীয় পু’লিশ অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ধারায় তাদের অপরাধ প্রমানিত হলে আদালত মৃ’ত্যুদন্ড কিংবা যাবজ্জীবন কারাদ’ণ্ডাদেশ দিতে পারেন এবং সাথে দোররা মারার আদেশ হতে পারে।

বিচারক নুরুল হুসনাহ আমরান এর বেঞ্চে মামলাটি প’রিচালনা করা হচ্ছে। আসামি মোঃ রায়হান ও জসিমের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মিস্টার তান চেং ইয়ে এবং অন্য তিন আসামির পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবী ছিল না।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীরা আরেক বাংলাদেশী চক্র কর্তৃক অপহরণের শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশী অপরাধ চক্রটি কে সহযোগিতা করেন ইন্ডিয়ান তামিল সন্ত্রা’সীরা। এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও দেশটির প্রশাসন কঠোরহাতে এই অপরা’ধীর দমন করছেন। আগে অহরহ অপহরণের ঘটনা ঘটলেও এখন কিছুটা কমেছে।

আরও পড়ুন