রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

৫৫ বছর বয়সী রেজিনা অর্নামা বেদনাদায়ক রোগ গ্লুকোমার শিকার। এজন্য তাকে প্রতিদিন চোখের ড্রপ দিতে হয়। তিনি এই চোখের ড্রপগুলো বাড়ির ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন।

জানা যায়, তার প্রেমিক গ্লু একই ফ্রিজে রেখেছিল যেখানে রেজিনার চোখের ড্রপ রাখা ছিল। যখন রেজিনার চোখে ব্যথা করে, তখন তার প্রেমিকের কাছে সাহায্য চায়। তিনি ফ্রিজে রাখা আঠা এবং চোখের ড্রপের একই প্লাস্টিকের পাত্রে পার্থক্য করতে পারলেন না এবং চোখের ড্রপের পরিবর্তে রেজিনার চোখে আঠা লাগিয়ে দিলেন।

বিষাক্ত রাসায়নিকযুক্ত আঠা চোখে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রেজিনা কষ্ট পেতে শুরু করে। তার চোখের দোররা আঠালো ছিল, তারপর প্রেমিক তার ভুল বুঝতে পারে। ঘটনাক্রমে, গ্লু এবং চোখের ড্রপের জন্য একই প্লাস্টিকের পাত্রে থাকা ছাড়াও, তাদের নামও প্রায় অভিন্ন ছিল এবং ‘সি’ অক্ষর দিয়ে শুরু। ঘটনার সময় তিনি তার চশমা পরেননি।

রেজিনা বলেন, ‘আঠালো ফোঁটা আমার চোখে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই আমার চোখ খুব জ্বলছিল। মনে হচ্ছিল আমার চোখ ফেটে যাবে।’ সঙ্গে সঙ্গে রেজিনাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে চিকিত্‍সা করা হয়। রেজিনা বলে যে সে সারা রাত কান্না কাটি করতে থাকে।

চক্ষু বিশেষজ্ঞ জানান, ‘যখন সুপার গ্লু বা অ্যালকোহলযুক্ত জেলের মতো রাসায়নিক দ্রব্য চোখে লাগানো হয়, তখন তীব্র জ্বালা হয় এবং এটি কর্নিয়া এবং কনজাঙ্কটিভাকেও প্রভাবিত করতে পারে। চোখের ভিতরে আঠা লেগে থাকা একটি ভূত্বক তৈরি করে একটি বড় ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।

যদিও আঠালো অপসারণের পর এখন রেজিনার চোখ খোলে, তবে তার চোখের কতটা ক্ষতি হয়েছে এবং কতদিন তা চলবে তা স্পষ্ট নয়।’

আরও পড়ুন