বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় ভালো পাত্র দেখানোর নামে কলেজছাত্রীকে অপহ’রণের পর আট’কে রেখে ধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন পেয়ে পু’লিশ উপজেলার রহবলের একটি বাড়ি থেকে ছাত্রীকে উ’দ্ধার ও ঘটক শাহিনুর রহমানকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে।

রোববার ভিকটিমের বাবা শিবগঞ্জ থানায় ঘ’টকের বিরুদ্ধে মা’মলা করেছেন। পরে ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে তার ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।

শিবগঞ্জ থা’নার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, ঘটক একই কায়দায় এর আগে তিনজনকে বিয়ে করলেও সংসার টেকেনি। আসা’মিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলি’শ ও এজাহার সূত্র জানায়, শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের করতকোলা গ্রামের মৃ’ত মোবারক প্রামাণিকের ছেলে শাহিনুর রহমান ঘটকালীর পাশাপাশি শ্রমিকের কাজ করেন। ঘটক শাহিনুরের সঙ্গে মোকামতলা মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর বাবার সঙ্গে পরিচয় হয়।

পরিচয়ের সূত্র ধরে তার মেয়ের জন্য ভালো পাত্রের সন্ধান দেন। পাত্র দেখানোর নামে তিনি ছাত্রীকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। গত ১৩ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে ছাত্রী কলেজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন।

সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। বাড়িতে গিয়ে ঘট’ককে না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। ফোন দিলেও ঘটক তা ধরেননি।

এদিকে ঘটক শাহিনুর ওই ছাত্রীকে বর দেখানোর নামে কৌশলে অপহরণ করে উপজেলার রহবল এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে আ’টকে রেখে ধ’র্ষণ করা হয়েছে।

টের পেয়ে ১৬ অক্টোবর রাতে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গেলে ঘ’টক পা’লানোর চেষ্টা করেন। তখন প্রতিবেশীরা ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন দিলে পু’লিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটক শাহিনুরকে গ্রে’ফতার ও কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে।

শিবগঞ্জ থা’নার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, শাহিনুর রহমান একজন প্রতারক। তিনি এর আগে ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তিন নারীকে বিয়ে করেন। পরে নারীরা তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।

অপরহণের পর আট’কে রেখে ধর্ষ’ণের অভিযোগে ছাত্রীর বাবা রোববার শিবগঞ্জ থা’নায় ঘটকের বিরুদ্ধে মাম’লা করেছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুন