শুক্রবার, ০১ Jul ২০২২, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাসের সংক্র’মণ বাড়ার মধ্যেই জরুরি বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং এতে মারা গেছেন প্রায় ৮ হাজার জন। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সংক্র’মণের প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি; কারণ পরীক্ষার হার কম।

দেশটি বর্তমানে জরুরি অবস্থার মধ্যে রয়েছে, যা পহেলা আগস্টে শেষ হবে এবং বলা হচ্ছে এই জরুরি অবস্থা আর বাড়ানো হবে না। বিরোধী নেতারা বলেছেন, গত সপ্তাহে এই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের অবহিত করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের ফলে জনগণের ওপর কেমন প্রভাব পড়বে, তারা সেটা তা জানতে চেয়েছেন। খবর বিবিসি বাংলার।

অন্যান্য দেশের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিও করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রামক ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সেখানে এখন দিনে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষের মধ্যে করোনা শনাক্ত হচ্ছে, মঙ্গলবার রেকর্ড সংখ্যক ২০৭ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। বিপুল সংখ্যক রোগী সামাল দিতে না পেরে হাসপাতালগুলো রোগীদের ফিরিয়ে দিচ্ছে। এমনকি ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শয্যা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

যারা ম’রদেহের সত্কার করেন এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্মীরা স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, তারা করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের লা’শ সত্কারের জন্য অসংখ্য টেলিফোন কল পাচ্ছেন, যাদের মধ্যে অনেকে বাড়িতেই মা’রা গেছেন।

কয়েক জন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বর্তমান জরুরি ব্যবস্থাও ‘আধাসেদ্ধ’ অবস্থা অর্থাত্ পুরোপুরি কাজ করছে না। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এই বিধিনি’ষেধ কোনো কাজে আসছে না।

তবে বিধিনি’ষেধের কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দিনমজুর এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। তাদের কেউ কেউ সাহায্যের আবেদন জানাতে তাদের ঘরের বাইরে সাদা পতাকা উড়িয়েছেন।

আরও পড়ুন