সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন

লিভ-ইন সম্পর্ক জীবনের অংশে পরিণত হয়েছে। তাই লিভ-ইন সম্পর্ককে সামাজিক নৈতিকতার দিক থেকে না দেখে ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা দরকার বলে মন্তব্য করেছে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা এক জোড়া যুগল এই ইস্যুতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে পৃথক অভিযোগ দাখিলের পর এই মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।

শুক্রবার একটি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, কুশিনগরের বাসিন্দা শায়েরা খাতুন আর তার পার্টনার একটি অভিযোগ দাখিল করেন। ওই যুগল দুই বছর ধরে লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন। অপর অভিযোগটি করেন জান্নাত পারভীন ও তার লি-ইন পার্টনার।

মামলার শুনানিতে প্রীতিঙ্কর দিবাকর ও আশুতোষ শ্রীবাস্তবের হাইকোর্ট বেঞ্চ জানান, দুই যুগলই একই অভিযোগ করেছে। তাদের অভিযোগ, মেয়েদের পরিবার তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে হস্তক্ষেপ করতে শুরু করেছে। প্রতিনিয়ত তাদের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

এসব হুমকির ওপর তারা পুলিশের কাছেও অভিযোগ করেন। কিন্তু পুলিশ কোনো সাহায্য না করায় শেষমেষ আদালতের দারস্থও হন তারা।

আদালতে বিচারকরা ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় উল্লেখিত জীবনযাপনের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়টি সামনে এনে বলেন, লিভ ইন সম্পর্ককে ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার অনুসরণে ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসনের দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে হবে। সামাজিক নৈতিকতার দিক থেকে নয়।

এ সময় অভিযোগ পেয়েও পুলিশের তরফ থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার ব্যাপারে হাইকোর্ট জানান, আইনের অধীনে থেকে পুলিশের দায়িত্ব পালন করা উচিত।

আরও পড়ুন