রবিবার, ০৩ Jul ২০২২, ০২:২৯ অপরাহ্ন

ভোলার চরফ্যাসনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নে পর’কীয়া প্রেমিকার সাথে রাত্রি যাপন করতে গিয়ে জনতার হাতে আট’ক হন নুরনবী মিন্টিজ নামের এক যুবক। স্থানীয়রা গণধোলাই শেষে তাকে আট’কে রাখেন। খবর পেয়ে বুধবার ভোরে শশীভূষণ থানা পু’লিশ তাকে উদ্ধার করে থা’নায় নিয়ে যান।

বুধবার (৩ নভেম্বর) গণধোলাইয়ের শিকার আহ’ত নুরনবীকে পু’লিশ হেফাজতে চরফ্যাসন হাসপাতালে প্রথিমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে শশীভূষণ থা’নার উপ- পরিদর্শক দীপংকর জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পরিষদ সংলগ্ন আলী হোসেন মাঝি বাড়িতে এঘটনা ঘটে। নুরনবী মাদ্রাজ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সোহেলের ছেলে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ওই নারীর স্বামী পেশায় একজন শ্রমিক। তিনি চাঁদপুরে কর্মস্থলে থাকেন। স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে যুবক নুরনবী তার স্ত্রীর সাথে পরকি’য়ায় জড়িয়ে পড়েন। প্রায় রাতেই একান্ত রাত কাটাতে পরকী’য়া প্রেমিকার বাড়িতে যেতেন যুবক নুরনবী মিন্টিজ। প্রতি রাতের মতো মঙ্গলবার ঘটনার রাতেও তিনি ওই বাড়িতে যান এবং পরকী’য়া প্রেমিকার সাথে রাত্রী যাপন করেন।

স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেলে প্রেমিক নুরনবী পালানোর চেষ্টা করেন। ওই সময় স্থানীয় চৌকিদার ইয়াছিনসহ এলাকাবাসী তাকে আট’ক করে গণধোলাই দেন। পরে শশীভূষণ থানা পু’লিশ তাকে উদ্ধার করে থা’নায় নিয়ে যান।

নুরনবীর স্ত্রী জানান, তাদের ৪ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক করে তাদের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তিনি ৩ মাসে অন্তঃস্বত্ত্বা। তার বিয়ের পর থেকেই স্বামী নুরনবী দুই সন্তানের জননী ওই নারীর সাথে পরকী’য়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি তিনি জানতে পেরে স্বামীকে ফেরানোর চেষ্টা করেন। এনিয়ে তাদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া বিবাধ হত। একাধিক বার শালিসও হয়েছে।

পু’লিশ হেফাজতে থাকা নুরনবী জানান, ওই নারীর সাথে আমার বিয়ের পূর্ব থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু আমার প্রেমিকাকে তার পরিবার অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন। পরবর্তীতে তিনি ও বিয়ে করে ফেলেন। কিন্তু তাদের দুজনের পূর্বের সম্পর্ক রয়ে যায়। পূর্বের সম্পর্কের জের ধরেই আমারা দু’জন দেখা করতাম। সুযোগ বুঝে একান্ত ভাবে মিলিত হতাম। ঘটনার রাতে প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গেলে স্থানীয়রা আমাকে আটক করে পুলি’শে দেয়।

শশীভূষণ থা’নার ওসি মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান, আটককৃত যুবক নুরনবী পু’লিশ হেফাজতে রয়েছে। এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন