বুধবার, ২৯ Jun ২০২২, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ও দলের সংসদীয় বোর্ডের যৌথ সভায় এ মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত সোমবার (২৯ নভেম্বর) আইভীর পক্ষে দলীয় কার্যালয় থেকে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল কাদির, আদিনাথ বসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

এবারের নারায়ণগঞ্জ সিটিতে দলীয় প্রার্থী হতে চারজন নেতার নাম আসে। এর মধ্যে থেকে আইভীকেই আবারও বেছে নিল আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। বাকি তিনজন হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন শীল ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা।

গত মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

৯১তম কমিশন সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশন সভায় এ তফসিল অনুমোদন দেওয়া হয়।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী- নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ১৫ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৭ ডিসেম্বর।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটির সবশেষ নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন আইভি রহমান। সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। বর্তমান সিটি করপোরেশনের জনপ্রতিনিধিদের মেয়াদ ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ছয় মাসের নারায়ণগঞ্জ সিটির নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ফেব্রয়ারির মাঝামাঝি সময়ে। সে ক্ষেত্রে বর্তমান কমিশন নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন সম্পন্ন করে যাবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন