সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় দুই পুলিশকে কুপিয়ে রাসেল নামে মাদক মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে স্বজনরা। রবিবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে পৌর শহরের ঘোড়াকান্দা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, ঘোড়াকান্দা এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ভৈরব থানার এএসআই রেজাউল ও এএসআই আব্দুল করিম ঘোড়াকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি জানতে পেরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে আরেক মাদক ব্যবসায়ী সানীসহ রাসেলের স্বজনরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। হামলায় এএসআই রেজাউলসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন=অন্তঃসত্ত্বা নারীর সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটে একটি টিউমার দেখতে পান চিকিৎসক। একসঙ্গে সেই টিউমারটি অপসারণের জন্য চিকিৎসক আরও তিন হাজার টাকা দাবি করেন রোগীর স্বজনদের কাছে। এতে রাজি হলেও টাকা দিতে দেরি করায় পেটে টিউমারটি রেখেই সেলাই করে দেন ওই চিকিৎসক।শনিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে মানিকগঞ্জ জেলা শহরের বেসরকারি হেলথ কেয়ার হাসপাতালে এই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর নাম আফরোজা আক্তার। তিনি সাটুরিয়া উপজেলার নয়াডিঙ্গী গ্রামের নাঈম ইসলামের স্ত্রী। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি হন ওই নারী। প্রসব বেদনা উঠলে রাত ২টার দিকে তাকে নেওয়া হয় অপারেশন থিয়েটারে।

অপারেশন করতে আনা হয় ডা. খায়রুল হাসান এবং অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক ডা. আশিককে। গর্ভবতী ওই নারীকে ৪৫ মিনিট পর্যবেক্ষণের পর অপারেশন শুরু করা হয়। একটি সুস্থ কন্যাশিশু হয় তার। অপারেশন শেষে ওই নারীর পেটে একটি টিউমার দেখতে পান ওই চিকিৎসক। তিন হাজার টাকা দিলে তিনি অপারেশন করে টিউমার অপসারণ করবেন বলে রোগীর স্বজনদের জানান।

অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. খায়রুল হাসান বলেন, ‘একটি অপারেশন করতে গিয়ে আরেকটি অপারেশন প্রয়োজন পড়লে এর জন্য বাড়তি তিন হাজার টাকা ফি দাবি করেছি। টাকা চাওয়াটা তো আমার ভুল হয়নি। আবার দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর আবার অজ্ঞান করা লাগতে পারে। অথবা অন্য কোনও সমস্যা হতে পারে। এমন ভাবনা থেকেই আমি আর টিউমারের অপারেশনটি করিনি। অপারেশনটি পরে করলেও চলবে।’

ওই নারীর স্বামী বলেন, ‘আমি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি, গরিব মানুষ। আমার গর্ভবতী স্ত্রীকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় অন্য জায়গা থেকে চিকিৎসক ডেকে আনা হয়। অপারেশন শেষে পেটে টিউমার ধরা পড়ার পর চিকিৎসক টিউমার অপসারণে তিন হাজার টাকা চায়। আমি তার প্রস্তাবে রাজি হই এবং টাকাটা নগদ-এ তাকে দিতে চাই।

কিন্তু ভোরে বিকাশের দোকান বন্ধ থাকায় এবং টাকা সংগ্রহ করতে একটু দেরি হওয়ায় তিনি পেটের মধ্যে টিউমার রেখেই সেলাই করে চলে যান। আমি তাকে বারবার অনুরোধ করি। হাসপাতালের লোকজনও তাকে অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি কারও অনুরোধই রাখেননি। চিকিৎসক যদি এতটা অমানবিক হয়, তাহলে আমাদের মতো নিরীহ মানুষ কোথায় যাবে?’

আরও পড়ুন