শনিবার, ০২ Jul ২০২২, ১১:৫৯ অপরাহ্ন

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জমিসং’ক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিকীর কান কেটে দিয়েছেন তার ভায়রাভাই মো. শাহজাহান। সোমবার সকালে উপজেলার তোরাবগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় পিটিয়ে আহ’ত করা হয়েছে আবু বকর সিদ্দিকীর দুই ছেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. দাউদ সিদ্দিকী ও ডা. মাসুদ সিদ্দিকীকে। তাদের কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, মাস্টার আবু বকর সিদ্দিক তোরাবগঞ্জ বাজারে তাদের ওয়ারিশী সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণ করছিলেন। এ সময় তার আপন ভায়রাভাই শাহজাহান ও তার ছেলে মো. রাকিব হোসেন বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বেধে যায়।

ওই সময় শাহজাহান দা দিয়ে আবু বকর সিদ্দিককে কোপ দিলে তার বাম কান ছিঁড়ে যায়। বাবাকে উদ্ধার করতে ছেলে দাউদ ও মাসুদ এগিয়ে আসলে তাদেরও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহ’ত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. দাউদ সিদ্দিকী বলেন, স্থানীয় তোরাবগঞ্জ বাজারে আমাদের নানার ওয়ারিশী সম্পত্তিতে আমরা দোকানঘর নির্মাণ করেতে গেলে আমার খালু শাহজাহান ও খালাতো ভাই রাকিবসহ কয়েকজন মিলে অত’র্কিত আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দা দিয়ে কোপ দিলে আমার বাবার কান ছিঁড়ে যায়। ওই সময় তারা আমার ভাই মাসুদ ও আমাকে এলোপাতাড়ি পি’টিয়ে জখম করে। আমরা মাম’লার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে শাহজাহানের ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. রাকিব হোসেন দাবি করে বলেন, আমাদের ওয়ারিশী জমিতে দীর্ঘ দিন থেকে দোকানঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করে আবু বকর সিদ্দিক। এতে তারা আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। তারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে দোকানঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করলে আমরা বাধা দেই। এতে দাউদ ও তার ভাই মাসুদ মোটরসাইকেলের চাবি দিয়ে আমার বাবার চোখে আঘাত করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য আমি আমার বাবাকে নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছি।

কমলনগর থা’নার ওসি মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পু’লিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন