বৃহস্পতিবার, ৩০ Jun ২০২২, ১০:১৭ অপরাহ্ন

করোনা মহামারি কাটিয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যখন বিদেশ যেতে শুরু করে, তখন তাদের বিমান ভাড়া দিতে হয় দ্বিগুণ। নভেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এয়ার টিকিটের দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এখন তা ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে।

আবার বেশি দাম দিয়েও মিলছে না বিমানের টিকিট। অস্বাভাবিক ভাড়া বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। এ অবস্থায় সিলেট বিভাগের অন্তত ২০ হাজার প্রবাসীর মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এদিকে কৃত্রিম টিকিট সংকট তৈরি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এয়ারলাইন্সগুলোর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্সিজ অব বাংলাদেশের (এটিএবি) অভিযোগ, ভাড়া বৃদ্ধির জন্য এয়ারলাইন্সগুলো দায়ী।

জনশক্তি রপ্তানিকারক, এয়ারলাইন্স এবং আটাব সিন্ডিকেটের অভিযোগ বিমান ভাড়া বাড়িয়েছে।

জানা গেছে, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদের অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছাতে দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে টিকিট কিনছেন। এ সুযোগে একটি সিন্ডিকেট টিকিটের দাম বাড়াচ্ছে। তারা বিপণন বিপণনের একটি দুষ্ট চক্রের সাথে জড়িত। কোনো যাত্রী টিকিটের জন্য ফ্লাইট অফিসে গেলে তাকে বলা হয় টিকিট নেই। একইসঙ্গে যে কোনো এজেন্সি থেকে এয়ারলাইন্সের টিকিট পাওয়া যাবে বলেও জানাচ্ছেন তারা। এ অবস্থায় অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ওইসব স্থানে গিয়ে চড়া দামে টিকিট কিনতে হচ্ছে।

বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের মতে, ফ্লাইটের সংখ্যা এখন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। তবে টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। এতে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। এমনকি কাঠ পোড়ানোর টিকিটও মিলছে না। এ সুযোগে এয়ারলাইন্স দুই থেকে তিনগুণ বেশি চার্জ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন