শনিবার, ০২ Jul ২০২২, ১০:২৯ অপরাহ্ন

অন্যের স্ত্রীর সঙ্গে অবৈ’ধ সম্পর্ক ছিল। সঙ্গে ছিল ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ও। এরমধ্যেই আসে সেই পরকী’য়া প্রেমিকার পক্ষ থেকে ‘সারাজীবনের যৌ’নদা’সী’ হয়ে থাকার প্রস্তাব। আর এই লোভেই ছুরি দিয়ে তিনবার কুপিয়ে প’রকী’য়া প্রেমিকার স্বামীকে হ’ত্যা করে ভারতের গুজরাটের বাসিন্দা হরেশ পঞ্চল। পু’লিশের হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় দোষ স্বীকার করেছেন হরেশ।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আহমেদাবাদ থেকে সামান্য দূরে জগৎপুরে। পোশাকের দোকানে কাজ করা হরেশের (৪০) সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরেই প’রকীয়া সম্পর্ক ছিল স্থানীয় শিল্পা পঞ্চলের। শিল্পা ও হরেশ- দুজনেরই দুই সন্তান-সহ সংসার রয়েছে। স্বামী দিলীপের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে যাওয়ায় মুক্তির উপায় খুঁজছিল শিল্পা।

পু’লিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে বাপুনগরের বাসিন্দা গোপালের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায় শিল্পা। কিছুদিন পর গোপালকে টোপ দিয়ে স্বামীকে মা’রার পরিকল্পনা করে মধ্যবয়সী ওই নারী। কিন্তু, রাজি হননি গোপাল। এরপরই হরেশের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করেন শিল্পা। হরেশকে রীতিমতো যৌ’ন আকর্ষণে মোহিত করে তোলেন মধ্যবয়সী ওই নারী।

কিন্তু, ইতিমধ্যেই সন্তান-স্ত্রী-সহ সংসার করা হরেশ শিল্পাকে বিয়ে করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। ‘আপত্তি নেই’ জানিয়ে শিল্পা আঁটে নতুন ফন্দি। হরেশকে বলেন, ‘বিয়ে করতে হবে না। সারাজীবনের জন্য তোমার যৌ’নদা’সী হয়ে থাকব।’ কিন্তু, পরিবর্তে নিজ স্বামী দিলীপকে হ’ত্যার শর্ত দেয় শিল্পা। লোভনীয় প্রস্তাব প্রথমে প্রত্যাখ্যান করলেও পরে মেনে নেয় হরেশ।

৩১ জুলাই জগৎপুরের থেকে কিছু দূরে একটি নির্জন এলাকায় দিলীপকে ডেকে পাঠায় হরেশ। দিলীপ এলে, ছু’রি দিয়ে তাঁর গ’লায় তিনবার কুপিয়ে হ’ত্যা করে শিল্পার প্রেমিক। হ’ত্যার পর মৃ’তদেহ খালে ফেলে দিয়ে চলে আসে হরেশ।

তদন্তে নেমে প্রথমে হরেশকেই গ্রে’প্তার করে পু’লিশ। জেরায় ভেঙে পড়ে মধ্যবয়সী ব্যক্তি। স্বীকার করে যে শিল্পার প্রভাবেই খু’ন করেছে। এরপর গ্রে’প্তার করা হয়েছে শিল্পাকেও।- kalerkantho

আরও পড়ুন