শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন

সৌদি আরবের পবিত্র মদিনায় প্রাইভেটকারের সঙ্গে নিজের চালিত মোটরসাইকেল ধাক্কায় লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ৬নং কেরোয়া গ্রামের হাজী শফিক সিকদারের বাড়ির মো: আনোয়ার হোসেনের একমাত্র সন্তান সৌদি রেমিট্যান্স যোদ্ধা মো: মুরাদ হোসেন (২২) নি’হত হয়েছেন।

পরিবারের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে তিন বছর আগে সৌদি আরবে গমন করেন মো: মুরাদ হোসেনর (২২)। সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা শহর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে হাইল নামক জায়গাতে একটি ফার্নিচারের দোকানে কর্মরত ছিলেন মো: মুরাদ হোসন (২২)।

জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর সকালে কর্মক্ষেত্রের কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন মুরাদ। এদিন মদিনা শহরের অদূরে হাইল নামক এলাকায় রাস্তায় নিজ চালিত মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিলেন, এসময় পিছনে থেকে আসা দ্রুত গতির একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দেয় মুরাদকে।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ ডিসেম্বর তার মৃ’ত্যু হয়। মৃ’ত মুরাদের মরদেহ স্থানীয় উক্ত হাসপাতালের হিম ঘরে সংরক্ষিত করা হয়েছে।মুরাদের মৃ’ত্যু সংবাদে তার পরিবার এবং এলাকাজুড়ে শোকের ছাড়া নেমে আসে। মুরাদের মৃ’ত্যু সংবাদে তার মায়ের অবস্থা আশং’কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী এবং একমাত্র সন্তানের মৃ’ত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে পরিবারের সকলে।

পরিবারের বরাত দিয়ে নিহতের চাচাতো ভাই মালয়েশিয়া প্রবাসী মো: জুবায়ের জানান, মুরাদ দীর্ঘ তিন বছর সৌদিআরব প্রবাস জীবন অতিবাহিত করে গত কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে আসেন এবং নতুন বিয়ে করে তিন মাস হল পুনরায় সৌদিআরব ফিরে যান।

পরিবারেরও তেমন কোনো সম্পদ নেই।রকারের নিকট আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতাসহ রেমিট্যান্স যোদ্ধা মৃত মুরাদের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সৌদিআরবের দূতাবাসের প্রতি মৃ’ত মুরাদের পিতা মো: আনোয়ার হোসেন আকুল আবেদন করেন।

আরও পড়ুন