শনিবার, ০২ Jul ২০২২, ১১:২২ অপরাহ্ন

ফেনীর সোনাগাজী (সদর) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামছুল আরেফিন কেন্দ্র দখল ও বৈধ-অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের আশঙ্কা করেছেন।তিনি বলেন, যদি জানতাম সোনাগাজীতে টাকার কাছে নৌকা বিক্রি হবে, দলের পেছনে নয়, টাকার পেছনে দৌড়াতাম।সোনাগাজী সদর ইউনিয়নে বর্তমান এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, যদি কেন্দ্র দখল করে নৌকাকে জয়ী করার চেষ্টা করা হয়, আমি আত্মহত্যা করে সারাদেশ এবং প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে যাব, আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।

রোববার (১৯ ডিসেম্বর) নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন শামছুল আরেফিন।তিনি বলেন, ইতোমধ্যে শুনতে পেয়েছি নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে—আগের মতো বহিরাগতদের দিয়ে কেন্দ্র দখলের পর নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করা হবে। এমন ঘটনা ঘটানো হলে প্রতিবাদ জানাব। সুষ্ঠু নির্বাচনে যেই বিজয়ী হোক, কোনো আপত্তি নেই।

শামছুল আরেফিন বলেন, অভিজ্ঞতা থেকে অনুমান করতে পারি, জেলার যেসব ইউনিয়নে ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছে, তাদের বৈধ অস্ত্রগুলো সোনাগাজীতে কেন্দ্র দখলের জন্য ব্যবহার করা হবে।বৈধ অস্ত্র ও সোনাগাজীতে সন্ত্রাসীদের কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র জব্দ ও উদ্ধার করে নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ফেনীর পুলিশ সুপার এবং জেলা প্রশাসকের প্রতি আহ্বান জানান শামছুল আরেফিন।

তিনি বলেন, যদি কেন্দ্র দখল করে নৌকাকে জয়ী করার চেষ্টা করা হয়, আমি আত্মহত্যা করে সারাদেশ এবং প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে যাব, আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।শামছুল আরেফিন আরও বলেন, দল যাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছে, সে যদি এক দিনের জন্য সোনাগাজীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতো তাহলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে

নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতাম।দুই বারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়মে জড়াননি বলে দাবি করেন শামছুল আরেফিন।সোনাগাজীর ওই ইউনিয়নের নির্বাচনে লড়ছেন মোট ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী।

অন্যরা হলেন—জাতীয় পার্টির সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের ফখরুদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মমিন খান।

আরও পড়ুন