সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

লুফৎহানসা এখন বেশ বিপাকে বড়েছে। যাত্রী নেই বলে ৩৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। আবার পাইলটরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

এমনিতেই ২০১৯-এ করোনার পর বিমান চলাচল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। লুফৎহানসার সিইও ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি সংবাদপত্রকে বলেছেন, বিশেষ করে জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ে চাহিদা একেবারই কমে গেছে। তাই তারা বহু ফ্লাইট বাতল করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেছেন, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও বেলজিয়ামেও যাত্রী অনেক কমে গেছে।

করোনার আগে যত বিমান চালাত এই সংস্থা, এখন তার ৬০ শতাংশ চালাচ্ছে। যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ। তারপরেও যে এত বিমান চালানো হচ্ছে, তার কারণ, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওঠা-নামা চালু রাখতে গেলে তাদের এই ফ্লইট চালাতেই হবে।

লুফৎহানসার কর্তা জানিয়েছেন, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারিতে যাত্রী নেই, তাও তাদের শীতের সময় ১৮ হাজার বাড়তি ফ্লাইট চালাতে হবে। না হলে তাদের টেক অফ ও ল্যান্ডিংয়ের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে না। লুফৎহানসা হলো ইউরোপের সবচেয়ে বড় বিমানসংস্থা এবং করোনার কঠিন সময়ের পর তারা তৃতীয় কোয়ার্টারে লাভের মুখ দেখেছে।

কিন্তু উৎসবের সময়েও লুফৎহানসার বিমান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তার কারণ, পাইলটদের অসুস্থ হয়ে পড়া। এই সমস্যার মুখে পড়ে আগামী দুই সপ্তাহে ডজনখানেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে তাদের।

অ্যামেরিকার বিভিন্ন শহরে চলাচলকারী বিমান বাতিল করতে হয়েছে। জাপানের বিমানও বাতিল করা হয়েছে। সংবাদসংস্থা ডিপিএ-কে সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রচুর পাইলট অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সূত্র: এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ।

আরও পড়ুন