শুক্রবার, ০১ Jul ২০২২, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

দেশে স্থলভাগে গ্যাসের মজুদ শেষ হচ্ছে, অথচ নতুন গ্যাস না পাওয়ায় ক্রমশই আমদানি নির্ভর হয়ে পড়ছে স্পর্শকাতর এই খাত। আর বিশ্ববাজারে এলএনজি’র দাম বাড়তে থাকায় খরচ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

সংকটের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টাও। তার আশা, পায়রা ও রামপালের মতো বড় কেন্দ্র পুরোপুরি উৎপাদনে আসলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাহিদা কমবে। তখন পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়ে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, অথচ কমছে মজুদ। ২৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট মজুদের মধ্যে এখন পর্যন্ত তোলা হয়েছে ১৮ টিসিএফ। বাকি আছে মাত্র ৯ টিসিএফ। দৈনিক চাহিদা চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৩ হাজারের মতো। দুই-তিন বছরে উৎপাদন না বাড়লে দৈনিক ঘাটতি বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৩ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটে।

সংকট সমাধানে আমদানি করা এলএনজি সরকারের একমাত্র ভরসা এখনও। যদিও ১০ ডলারের এলএনজি’র দাম পৌঁছেছে ৪০ ডলার পর্যন্ত। দাম যাই হোক দেশে আমদানি করা এই গ্যাস সরবরাহের পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই।

পায়রা আর রামপাল পুরোপুরি উৎপাদনে গেলে আর ভারতের ঝাড়খন্ড থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ আনতে পারলে এ খাতে কমবে গ্যাসের ব্যবহার। যদিও সঞ্চালন লাইন জটিলতায় এগুলোর কোনটি থেকেই দ্রুত বিদ্যুৎ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতি সামলাতে গভীর সমুদ্রে তাই অনুসন্ধান শুরুর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

গ্যাস সংকট মোকাবেলায় মন্ত্রণালয়ের সাথে বৈঠক করে দ্রুত কর্মপন্থা নির্ধারণ করার কথা ভাবছে পেট্রোবাংলা।

আরও পড়ুন