বৃহস্পতিবার, ০৭ Jul ২০২২, ০১:২৩ অপরাহ্ন

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নে আব্দুস শহীদ এমপির গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল আসনের সংসসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এর ব্যক্তিগত সহকারী ইমাম হোসেন সোহেল, যুবলীগ নেতা খালেদ বিন সাইফুল্লাহ ও সংসদ সদস্যের বডিগার্ড পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্য তরিকুল ইসলাম ও পুলিশের গাড়ি চালক স্বপন গুরুত্বর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে তরিকুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এবং বাকিদের প্রথমে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মুন্সিবাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি গাড়ি বহর নিয়ে তার বাসভবনে যাবার পথে মুন্সিবাজার এলাকায় নৌকা প্রার্থী ইফতেকার আহমদ বদরুল এর নির্বাচনী কার্যালয়ে সামনে পৌঁছান। এ সময় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রহিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জুনেল আহমদ তরফদার (ঘোড়া প্রতীক) এর সমর্থক মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুলতে থাকে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জুনেল আহমদ তরফদার এর পক্ষের ৩০-৩৫জন কর্মী সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। এতে সংসদ সদস্যের গাড়ি বহরের কয়েকটি যানবাহন ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

সংবাদকর্মী জাহিরুল ইসলাম সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে জানিয়েছেন, আহত ইমাম হোসেন সোহেল এর মুখে ২৫টি ও খালিদ সাইফুল্লাহর শরীরের বিভিন্ন অংশে ১শ’ ৫০টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সংসদ সদস্যের ব্যাক্তিগত সহকারী ইমাম হোসেন সোহেল বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রহিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জুনেল আহমদ তরফদার সুপরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালিয়েছে।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) সোহেল রানা ঘটনার সত্যত্য স্বীকার করে জানান, হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপির ব্যক্তিগত এপিএস সোহেল আহমদ ও গানম্যান তারেকুল ইসলাম। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

আরও পড়ুন