সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

নোয়াখালীতে ট্রাফিক পু’লিশের বা’বুর্চির কক্ষে এক নারীকে (২৩) ধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবলসহ চারজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এর আগে, শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীর মা বাদী হয়ে সুধারাম মডেল

থা’নায় ধ’র্ষণ মা’মলা করেছেন।গ্রেফতাররা হলেন- ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মাদলা গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে ও নোয়াখালী জেলার সদর ট্রাফিক পু’লিশের কনস্টেবল মকবুল হোসেন (৩২), বেগমগঞ্জ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত আমান উল্যার ছেলে সিএনজি চালক মো. কামরুল (২৫), একই উপজেলার অনন্তপুর

গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে নুর হোসেন কালু (৩০) এবং সদর উপজেলার দাদপুর গ্রামের মৃত মফিজ উল্যার ছেলে আবদুল মান্নান (৪৯)।মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থা’নার পরিদর্শক (অপারেশন) মিজানুর রহমান পাঠান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিকটিম ঢাকা থেকে ব্যক্তিগত কাজে নোয়াখালীর মাইজদিতে আসেন।

অর্থের সংকট দেখা দিলে ভিকটিম তার পূর্ব পরিচিত সিএনজিচালক মো. কামরুলের সঙ্গে দেখা করেন। এক পর্যায়ে কামরুল দুই সহযোগী আবদুল মান্নান ও নুর হোসেন কালুকে নিয়ে ভিকটিমকে সদর ট্রাফিক পু’লিশের কনস্টেবল (মুন্সি) মকবুল হোসেনের কাছে নিয়ে যান। এ সময় তাদের সহযোগিতায় মুন্সি মকবুল হোসেন ভিকটিমকে

ট্রাফিক পুলিশের বাবুর্চি আবুল কালামের রুমে নিয়ে ধ’র্ষণ করেন। ঘটনার পরপরই ভিকটিম সুধারাম মডেল থা’না পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।সুধারাম মডেল থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিন বলেন, অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গে চার আসামিকে বৃহস্পতিবার রাতেই আ’টক করা হয়।

অন্যদিকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। – জাগো নিউজ

আরও পড়ুন