শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

একবার করোনা হলে, আবার কবে করোনা হবে এই প্রশ্ন থাকে সবার মনেই। ওমিক্রন হলে তার প্রভাবই বা কতদিন থাকে সে প্রশ্ন এখন মানুষের মনে ঘুরছে। এই নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এর সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইসরি কমিটি অফ দ্যা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ এপিডেমিওলজির চেয়ারপার্সন জয়প্রকাশ মুলিয়িল।

জয়প্রকাশ মুলিয়িল দাবি করছেন, একবার ওমিক্রন হলে, শরীরে তার অ্যান্টিবডি থেকে যেতে পারে সারাজীবন। তার মতে, এই কারণেই নাকি অন্য দেশের মতো করোনা ভারতের ওপর তেমন মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারেনি। কারণ টিকা আসার আগেই দেশের ৮৫ শতাংশ মানুষের করোনা হয়ে গিয়েছিল। ফলে তাদের শরীরে প্রাকৃতিক উপায়েই রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হয়ে গিয়েছে।

জয়প্রকাশ মুলিয়িলের মতে, টিকার প্রথম যে ডোজটি দেওয়া হয়েছিল, সেটিই আসলে এই সব মানুষের জন্য ছিলো বুস্টার ডোজ। কারণ তার আগে থেকেই তাদের শরীরে করোনার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা ছিলো।

একই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ওমিক্রন অতি দ্রুত বাড়ছে। একে আটকানোর উপায় নেই। সকলেরই ওমিক্রন হবে। বুস্টার ডোজ দিয়েও একে আটকানো যাবে না। তবে তার মতে, ওমিক্রনের শক্তি ডেল্টার তুলনায় অনেকই কমে এসেছে। এখন করোনা নিয়ে আর বিশেষ ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সাধারণ ঠান্ডা লাগার মতো করেই করোনা থেকে যাবে। যাদের শরীরে এই জীবাণুটি সংক্রমণ ঘটাবে, তাদের অনেকে জানতেও পারবেন না।

জয়প্রকাশ মুলিয়িল বলছেন, ৬০ বছরের উপরে যাদের বয়স, তাদের কারও কো-মর্বিডিটি থাকলে, বুস্টার নিতে পারেন। কারণ তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই টিকার প্রথম দু’টি ডোজ পুরোপুরি প্রতিরোধ শক্তি দেয়নি বলে বলছে সমীক্ষা।

এজন্য ওমিক্রন নিয়ে ভয় না পাওয়া এবং স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হওয়ার দিকে আগানোই যে এখন একমাত্র রাস্তা তা বলছেন এই বিশেষজ্ঞ।

আরও পড়ুন