বুধবার, ২৯ Jun ২০২২, ০৭:১৬ অপরাহ্ন

ঢাকার ধামরাইয়ে ভাগ্নীকে ধ’র্ষণের অভিযোগে মামা আমির হোসেন আমুকে (৪৫) আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। অভিযুক্ত আমির হোসেন আমু উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামের মোঃ ইজ্জত আলীর ছেলে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই উপজেলার কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ রাসেল মোল্লা।

এর প্রায় চার মাস পূর্বে আমির হোসেনের বাড়ীতে বেড়াতে এসে রাতে আমির হোসেনের মেয়ের সাথে একই কক্ষে ঘুমাতে যায় ভুক্তভোগী। পরের দিন সকালে আমির হোসেনের মেয়ে প্রাইভেট পড়তে গেলে আমির হোসেন গোপনে ভাগ্নীর সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভাগ্নীকে জোর পূর্বক ধ’র্ষণ করে। পরে ভাগ্নী চিৎকার করলে আমির হোসেন তাকে প্রাণ না’শের হু’মকি দেয়।

এতে ভয় পেয়ে ভুক্তভোগী ভাগ্নী ও তার পরিবার চুপ হয়ে যায়। গত এক মাস আগে মেয়ের বিয়ে হয়। সেখানে তার শা’রীরিক অবস্থা পরিবর্তন দেখা গেলে মেয়েকে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হলে জানতে পারে সে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে তাকে জিজ্ঞেস করলে সব ঘটনা পরিবার কে জানায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা রোববার (২৩ জানুয়ারি) সকালে অভিযুক্ত ভাই আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

স্থানীয়রা জানান, আমির হোসেন একজন মা’দকসেবী ও খারাপ চরিত্রের লোক। নারী কে’লেঙ্কারির মতো জগন্য ঘটনা তার আরো রয়েছে। এমন ঘটনায় একাধিকবার জরিমানাও দিয়েছে সে। কিন্তু নিজের ভাগ্নীর সাথে এতো জগন্য কাজ মেনে নেয়া যায় না। তার কঠিন বিচার হওয়া উচিত।

ভুক্তভোগী ধ’র্ষণের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, আমার মামাতো বোনের সাথে রাতে একত্রে ঘুমাই। সে সকালে পড়তে গেলে সেই সুযোগে মামা আমির হোসেন ঘরে এসে আমার সাথে এই জঘন্য কাজটি করে। আমি চিৎকার করলে আমাকে মা’রধর করে এবং অন্য কাউকে জানালে আমাকে প্রাণনা’শের হু’মকি দেন মামা।

এ বিষয়ে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রাসেল মোল্লা কে জানান, আজকে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমির হোসেন আমুর বাড়ি থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি । তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন