বৃহস্পতিবার, ৩০ Jun ২০২২, ১০:৩০ অপরাহ্ন

ইয়াবাসহ আ’টক হওয়ার পর ফের আলোচনায় এসেছেন মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা। জানা যায়, তার বাসায় নিয়মিতই বসতো মাদ’কের জমজমাট আসর। তরুণ ও যুবকদের আকর্ষণ করার জন্য পিয়াসার বাসায় যাতায়াত করতো ২০-২৫ জন সুন্দরী রমণী।
ঢাকা মহানগর পু’লিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, মডেল পিয়াসার নেটওয়ার্কে যে ২০-২৫ জন সুন্দরী রমণী রয়েছে, তাদের কাজ ছিল আগত অতিথিদের ‘খুশি করা’। তাদের মাধ্যমেই বসানো হয় মাদকের জমজমাট আসর। সেসব আসরে গুলশান, বনানী, বারিধারায় বসবাসকারী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও তাদের সন্তানদের আমন্ত্রণ জানানো হতো। এর বিনিময়ে রমণীরা চুক্তি অনুযায়ী টাকা পেতেন।

সুন্দরী রমণীদের দিয়ে মাদ’কের আসর বসিয়ে তিন ধরনের ফায়দা হাসিল করতেন পিয়াসা। আসরে আগতদের বুঁদ করতে যে মাদক ব্যবহার করা হতো তার বিল পেত পিয়াসা। এছাড়া রমণীরা উদাম নৃত্যের সময় তাদের ওপর যে টাকা ছিটানো হতো তার বড় অংশও পিয়াসা নিত।

পিয়াসা খুব গো’পনে আগতদের ছবি ও ভি’ডিও করে রাখতেন। এসব ফুটেজকে পরবর্তীতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। এছাড়া গুলশানের এক ডায়মন্ড জুয়েলারি মালিকেরও ঘনিষ্ঠতা রয়েছে তারা। রমণীদের সঙ্গে রাত কাটানো অতিথিদের পরদিন ওই ডায়মন্ড জুয়েলারি শপ থেকে লাখ লাখ টা’কার জুয়েলারি উপহার দিতে বাধ্য করত। পরে ওই জুয়েলারি ফেরত দিয়ে নগদ টাকা নিয়ে নিত পিয়াসা।

ডিবি পু’লিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর রশীদ বলেন, দুজন (দুই মডেল) একটি সংঘব’দ্ধ চ’ক্রের সদস্য। গ্রে’ফতার হওয়া দুই মডেল হলো রাতের রানি। তারা দিনের বেলায় ঘুমায় এবং রাতে অ’শ্লী’ল কর্মকা’ণ্ড করে।

গত রোববার রাতে রাজধানীর বারিধারার বাসায় অভিযান চালিয়ে মাদ’কদ্রব্যসহ আলোচিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকে আ’টক করা হয়। পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা (কত পিস জানা যায়নি), রান্নাঘরের ক্যাবিনেট থেকে ৯ বোতল বিদেশি ম’দ, ফ্রিজে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল এবং বেশ কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া গেছে। এছাড়া পিয়াসার কাছ থেকে ৪টি স্মার্টফোন জ’ব্দ করেছে গোয়েন্দা পু’লিশ।

আরও পড়ুন