শুক্রবার, ০১ Jul ২০২২, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

গত ২৮ জানুয়ারি ছিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এদিন চলচ্চিত্রের ১৭টি সংগঠনের সদস্যদের এফডিসিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ কারণে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) এমডি নুজহাত ইয়াসমিনের অপসারণ চান তারা।

আন্দোলনকারীদের এমন ঘোষণার মধ্যেই এফডিসিতে ঢুকে পড়েন নুজহাত ইয়াসমিন। আর তাই ১৭ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ চাপা উত্তেজনা বিরাজ করে। দুপুর ১২টার পর পরিচালক সমিতির সামনে এমডির কুশপুত্তলিকা পোড়ায় তারা। ১৭ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনে উত্তাল এফডিসি। কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর সময় এফডিসিতে উপস্থিত ছিলেন এমডি নুজহাত ইয়াসমিন।

তবে প্রায় বিগত এক মাস ধরেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে চলে আলোচনা-সমালোচনা। তবে নির্বাচন শেষ হয়ে এখন বিষয়টা আরও সমালোচনার মধ্যে পড়ল।

পরিচালক, প্রযোজক ও সিনেমা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের স্লোগানে উত্তাল এফডিসি। রোববার (৩০ জানুয়ারি) এফডিসির প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়েছেন তারা। এ সময় সম্মুখসারিতে ছিলেন পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, এক সময়ের সফল পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, শাহীন সুমনসহ আরও অনেকে।

এর প্রতিবাদে এফডিসির এমডি নুজহাত ইয়াসমিনের অপসারণ দাবি করে নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। সেময় তিনি বলেন, ‘আমরা যদি চলচ্চিত্রের মানুষ হয়ে থাকি, তাহলে এই এমডি এফডিসিতে থাকতে পারবেন না। সরকার চাইলেও তিনি থাকতে পারবেন না। আমরা রাস্তায় শুয়ে থাকব।’

এফডিসির এমডি নুজহাত ইয়াসমিনের অপসারণ ছাড়া আরও দুটি দাবি রয়েছে এই ১৭টি সংগঠনের। এগুলো হলো- নির্বাচনের প্রধান কমিশনার পীরজাদা হারুণকে আজীবন নিষিদ্ধ এবং এফডিসির ভেতরে আর কখনো শিল্পী সমিতির নির্বাচন হতে না দেওয়া।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচন। বিএফডিসিতে সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটে। এবারের নির্বাচনে ৪২৮ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬৫ জন ভোটার উপস্থিত হয়েছেন। ২১টি পদে তাদের প্রতিনিধি বাছাই করেন।

এবারের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে ১৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদ খান এবং তার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিপুণ পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।

আরও পড়ুন