রবিবার, ০৩ Jul ২০২২, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৪ দিনের পরিবর্তে ১০ দিন কোয়ারেন্টিন থাকা যাবে। আজ রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ১০ দিন পর উপসর্গ না থাকলে তারা কাজে যোগ দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে আগের মতো করোনার আরটি-পিসিআর নমুনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হতে হবে না। আপাতত আরটি-পিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ প্রদর্শন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ওমিক্রনের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন সময় আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। খুব গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গগুলো হলো, নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যথা, অবসন্নতা, হাঁচি, গলা ব্যথা, কাশি—এই বিষয়গুলো কারো থাকলে পরীক্ষা করাতে হবে। ঠান্ডা লেগে কারো গলা ভেঙে গেছে বা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে, সেসব ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করিয়ে যার প্রয়োজন তাকে হাসপাতালে যেতে হবে। যার ক্ষেত্রে বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করা সম্ভব তিনি সেভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করব

তিনি বলেন, ওমিক্রনের কারণে দেশে সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়েছে। আমরা যদি মৃত্যুর সংখ্যাটি দেখি, তাহলে দেখা যায় ডিসেম্বর পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৩/৪ জনে ছিলো। এখন মৃতের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে প্রতিদিন গড়ে ২০/২৫ জন মারা যাচ্ছে। কাজেই আমাদের আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের হার যেমনটি বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমাদের টিকা কর্মসূচিও বেগবান হয়েছে।

যারা দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এবং বুস্টার ডোজের জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন, এমনকি যারা টিকার বার্তাও পেয়েছেন কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে টিকা নিতে পারেননি, তারা সুস্থ হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।

আরও পড়ুন