বৃহস্পতিবার, ৩০ Jun ২০২২, ১০:১৩ অপরাহ্ন

এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে পরিস্থিতি বেশ উত্তাল। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। সেদিন (২৮ জানুয়ারি) জায়েদ খান ও চিত্রনায়িকা মুনমুনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, এফডিসিতে জায়েদ-মুনমুন একে অপরের সঙ্গে কথা বলছেন। মুনমুনের একটি হাত ধরে ছিলেন জায়েদ খান। কথা বলার সময় অন্য হাত দিয়ে নায়িকা তার ব্যাগের চেন খুলে কিছু একটা রাখেন।

বলা হচ্ছে, টাকা দিয়ে মুনমুনের ভোট কিনেছেন জায়েদ খান। এ নিয়ে প্রচুর সমালোচনাও হয়েছে। তবে সেখানে টাকা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে কি না সেটি স্পষ্ট নয়।

এ ঘটনায় আজ (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে কথা বলেন মুনমুন। তিনি বলেন, ‘রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাকে কেউ টাকা দেবে, আর আমি সেই টাকা নিয়ে ভোট দেব। আমার বিরুদ্ধে একটি এলিগেশন দাঁড় করানো হয়েছে।’

মুনমুন বলেন, ‘সেদিন আমি যখন এফডিসিতে যাই আমার মুখে কালো মাস্ক পরা ছিল। হাতে ছিল একটি ব্যাগ। আমার একটি হাত জায়েদ ধরে রেখেছিল। সে তার প্যানেলের জন্য আমার কাছে ভোট চায়। জায়েদ আমাকে বলেছিল, আপা আমি অনেক সমস্যার মধ্যে আছি দেখতেই তো পাচ্ছেন। ছোট ভাইকে একটু দেখবেন। আপনাকে সব সময়ই সম্মান করেছি। যদি কোনো ভুল করে থাকি ক্ষমা করে দেবেন। এরমধ্যে সে তাদের প্যানের ছোট একটা কাগজ আমাকে দেয়। আমি সেটি ব্যাগে রাখি। এরপর সে চলে যায়। তারপর ফাইট ডিরেক্টর চুন্নু ও রুবেল ভাইয়ের সঙ্গে আমি কথা বলি।’

এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমি কি রাস্তার আর্টিস্ট, যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে জায়েদের কাছ থেকে টাকা নেব। জায়েদ আমার বাসা চেনে, ফেসবুক ফ্রেন্ড যেকোনোভাবেই তো টাকা নিতে পারি।’

মুনমুনের ভাষ্য, ‘এফডিসিতে সবাই সবাইকে ধরে ধরে ভোট চায়। জায়েদের নামে সব কিছুই অপপ্রচার। এখন আমি সেটা বুঝতে পারছি। আমার সঙ্গে এই ঘটনা না ঘটলে হয়তো বুঝতাম না। কারণ আমাকেও এখানে ফাঁসানো হয়েছে। আমি এখন বুঝতে পারছি এটা সম্পূর্ণ মিডিয়া ক্রিয়েটেড একটা অপপ্রচার। আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে, সব ইউটিউবাররা টাকার জন্য আমাদের মতো সেলিব্রিটিদের বদনামের ভিতরে ফেলেছো। আমি তোমাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন