বুধবার, ২৯ Jun ২০২২, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

শীতের তীব্রতায় উত্তরের প্রান্তিক জনপদে আগুন পোহাতে গিয়ে প্রতিদিনই দগ্ধ হচ্ছে মানুষ। দগ্ধরা চিকিৎসা নিতে ভিড় করছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে। এরই মধ্যে মারাও গেছেন ২ জন। এই সময়ে বৃদ্ধ, শিশু এবং নারীদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

জানুয়ারির শেষভাগে শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত রংপুরসহ উত্তরের জনজীবন। কুয়াশার চাদরে ঢাকা চারপাশ। রাস্তাঘাটে দুপুর পর্যন্ত যানবাহন চলছে আলো জ্বালিয়ে। সাথে হিমেল হাওয়া। সব মিলিয়ে দিশেহারা মানুষ। শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এখনও আগুন পোহানোকেই গুরুত্ব দেয়। সে কারণে প্রতিনিয়তই ঘটে দুর্ঘটনা। প্রতিদিনই দগ্ধ হন কেউ না কেউ। ভর্তি হন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে। গত এক মাসে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ৮ জন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাও গেছেন মিঠাপুকুরের রাজা মিয়ার স্ত্রী সামসুন্নার ও পীরগাছার নুরুল আমীনের স্ত্রী আফরোজা খানম। ভর্তি হওয়াদের মধ্যে সবাই শিশু ও নারী। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান ডা. এম এ হামিদ পলাশ বৃদ্ধ, শিশু এবং নারীদের এসব বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন অন্যান্যরাও।

আগুন পোহানো ছাড়াও একমাসে রান্নাসহ বিভিন্নভাবে দগ্ধ আরও ১৪ জন রোগী ভর্তি আছে রংপুর মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে।

আরও পড়ুন