শুক্রবার, ০১ Jul ২০২২, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

আজ বিকেল সিনহা হত্যা মামলায় লিয়াকতের মৃ’ত্যুদণ্ডের আদেশ শুনে কান্নায় ভে’ঙে পড়েছেন তার মা। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা রায় শুনতে কক্সবাজার আদালতে ছুটে যান। লিয়াকতের মা রোকেয়া বেগমকে (৮০) সান্তনা দেন প্রতিবেশীরা। রায়ের পর লিয়াকতের বাড়িতে ভিড় জমায় গ্রামবাসী।

জানা যায়, মৃ’ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিয়াকত চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের হুলাইন গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম সাহাব মিয়া। সিনহাকাণ্ডের কিছুদিন আগে মা’রা গেছেন তিনি। সিনহা হ’ত্যা মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন ইনসপেক্টর লিয়াকত।

আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার আদালত সিনহা হ’ত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত এই মামলায় লিয়াকত এবং বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের মৃ’ত্যুদণ্ড দেন। এ ছাড়াও ছয় আসামিকে যা’বজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

এদিকে রায় ঘোষণার পর লিয়াকতের গ্রামের বাড়ি দেখা গেছে, রায়ের খবর শুনে তার মা রোকেয়া বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এ সময় প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা তাকে সান্তনা দেন। এক পর্যায়ে রোকেয়া বেগম নির্বাক হয়ে পড়েন।

জানা যায়, লিয়াকতরা ছয় ভাই ও এক বোন। এরমধ্যে লিয়াকত সবার ছোট। ২০১০ সালে তিনি পুলিশে যোগদান করেন। প্রথমে ডিবি, পরে সোয়াত ও অ্যান্টি টেরিরিজম টিমে কাজ করেন। এরপর পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর টেকনাফ থানার অধীনে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে যোগদান করেন। এলাকাবাসী তাদের পরিবারকে শিক্ষিত পরিবার হিসেবে সম্মান দিত। তবে সিনহা হ’ত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় তাকে নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

এদিকে ইউনিয়নের হুলাইন গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, সিনহা হত্যার রায় শুনতে লিয়াকতের পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারে চলে যান। রায়ে লিয়াকতের মৃ’ত্যুদণ্ডের আদেশ গণমাধ্যমে প্রচার হলে তার মা রোকেয়া বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় প্রতিবেশীরা ‘উচ্চ আদালতে আপিল করলে আপনার ছেলে ন্যায় বিচার পাবে’ বলে সান্তনা দেন।

আরও পড়ুন