বৃহস্পতিবার, ৩০ Jun ২০২২, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন-সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলছেন, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হ’ত্যা মামলার রায়ের পর বিচার বিভাগের সমালোচকরা অনেক প্রশ্নের জবাব পাবে। আজ মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেতু বিভাগে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে শেখ হাসিনা সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী। আইন সবার জন্য সমান, অপরাধী যেই দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করছে। যারা বিচারবিভাগ নিয়ে অহেতুক সংশয় প্রকাশ করে তারা এ রায়ের মাধ্যমে অনেক প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবে।

গতকাল সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হ’ত্যা মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফাঁ’সির আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, রুবেল ও সাগরসহ ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৬ আসামি হলো- বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব, প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন। এদের মধ্যে (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিতকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- এপিবিএনের বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, বরখাস্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল শাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে দুপুর ২ টার দিকে মামলার ১৫ আসামিকে কঠোর নিরাপত্তায় আদালত চত্বরে আনা হয়। ২টা ২৫ মিনিটে এজলাসে এসে আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর মামলা সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেন বিচারক। এরপর শুরু করেন অপরাধের পর্যবেক্ষণ বয়ান। সাক্ষ্য প্রমাণে কার কী অপরাধ দাঁড়িয়েছে সেসব তুলে ধরার পর হ’ত্যায় সংশ্লিষ্টতার অপরাধ অনুসারে সাজা ঘোষণাকালে প্রধান দুই অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃ’ত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আরও পড়ুন