বৃহস্পতিবার, ৩০ Jun ২০২২, ১০:৩২ অপরাহ্ন

ঢাকার সাভারে পারিবারিক কলহের জেরে সুতা কাটার বিশেষ অ’স্ত্র দিয়ে সালমা (৩৫) নামের বড় সতীতেন এক চোখ তুলে নিয়েছে নুরন্নেছা নামের ছোট সতীন। এ ঘটনায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সালমা বেগম।

শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে চোখে মা’রাত্মক ক্ষ’ত নিয়ে চিকিৎসাধীন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনাম মেডিকেল কলেজের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নুরন্নেছার বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায় নি। তিনি মোতালেব হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

ভুক্তভোগী সালমা (৩৫) বরিশাল জেলার হিজলা থানার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১৮ বছর আগে সাভারের পান ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের সাথে তার বিয়ে হয়।তিনি সাভার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড গেন্ডা ছাপড়া মসজিদ এলাকার আহম্মদ আলীর বাড়িতে ভাড়া থেকে আল মুসলিম পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

ভুক্তভোগী সালমা বলেন, মোতালেব হোসেনের আমি প্রথম স্ত্রী। আমার সাথে তার সংসার প্রায় ১৮ বছর ধরে। তবে দুই তিন বছর আগে আমার স্বামী মোতালেব আবারও নুরন্নেছাকে বিয়ে করেন। আমি ১২ বছর ধরে পোশাক কারখানায় চাকরি করে সংসারের কাজে লাগিয়েছি।

প্রেগন্যান্সির ৬০ হাজার টাকাও আমি সংসারে দিয়েছি। আর নুরন্নেছা বাসায় বসে বসে খেয়েছে। তবুও আমি কিছু বলি নাই। সে আসার স্বামীকে কব্জায় নিয়ে আমার সাথে মোতালেবের সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছে। ৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার কারখানা থেকে বের হতেই নুরন্নেছা আমার সামনে এসে বলে তুই আমার স্বামীর দোকানে যাবি না। এই কথা বলেই কাটার দিয়ে আমার চোখে আ’ঘাত করে। এসময় আমি মাটিতে লুটিয়ে পরলে সারা শরীরে আঘাত করে। পরে তার স্বামী হাসপাতালে ভর্তি করে সেখান থেকে চলে যান আর দেখা করেন না।

ভুক্তভোগীর ভাই আল-আমীন বলেন, আমার বড় বোনকে মা’রধর করে তার সতীন চোখ তুলে নিয়েছে। চোখটা ড্যামেজ হয়ে গেছে। পরে সারা শরীরে মা’রধর করেছে। একটু সুস্থ হলেই থানায় অভিযোগ দায়ের করবো। এবিষয়ে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোন ঘটনা জানা নাই। কেউ অভিযোগও করে নি। তবে অভিযোগ দায়ের হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন