রবিবার, ০৩ Jul ২০২২, ০৩:১২ অপরাহ্ন

বিয়ের পর প্রথমে সব ঠিকঠাক ছিল। তবে কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয় শারীরিক নি’র্যাতন। কারনে বা অকারনে প্রায় প্রতিদিনই মারধর করেন। ২৫/২৬ বছর ধরে এভাবেই নি’র্যাতন সহ্য করে সংসার করতাছি। এক সপ্তাহ আগেও সামান্য কারনে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিছে। আমার মুখের কি অবস্থা দেখেন।

বিয়ের পর থেকে অনেক সহ্য করছি, আর কত সহ্য করুম এভাবে কথাগুলো বলছিলেন স্বামীর হাতে নি’র্যাতনের শিকার সালমা বেগম (৪৫)। সালমা বেগম ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নতুন বান্দুরা গ্রামের বাদশা মৃধার স্ত্রী।

সালমা বেগম জানান, ২৮ জানুয়ারি দুপুরে ভাত খাওয়া নিয়ে তাকে মারধর করে স্বামী বাদশা। স্বামীর নির্যাতনে তার মাথা ফেটে যায় এবং মুখে একাধিক জখম হয়। পরে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি বলেন, প্রতিবেশিরা এগিয়ে না এলে স্বামীর নি’র্যাতনে তিনি মারা যেতেন।

সালমা বেগম আরো বলেন, ২০ বছর ধরে মানুষের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সংসার চালাচ্ছি। কোন কারন ছাড়াই প্রতিদিনই মারধর করে। তবে সন্তানদের কথা চিন্তা করে সব সহ্য করেছি। আর পারছি না। আমি ওনার বিচার চাই। থানায় অভিযোগ জানাইছি কিন্তু পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দরকার হলে কোর্টে যাব।

সালমা বেগমের ভাই নুর ইসলাম বলেন, ছোট বেলা থেকে দেখতাছি বোনটাকে এভাবে নি’র্যাতন করতাছে। মাথায় ও কপালে তিনটা করে সেলাই লেগেছে। মুখেও একাধিক জায়গায় জখম হয়েছে। আমরা উপযুক্ত বিচার চাই। এব্যাপারে বাদশা মৃধার সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নবাবগঞ্জ থানার এসআই দুলাল দে বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন