সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ০৯:১৯ অপরাহ্ন

অবশেষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে সাধারণ সম্পাদকের পদ ফিরে পেয়েছেন অভিনেতা জায়েদ খান। গতকাল সোমবার তার করা এক রিটে হাইকোর্ট এ আদেশ দেয়। আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আহসানুল করীম ও আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মজিবুল হক ভূঁইয়া। নিপুণের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভেকেট রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

এদিকে শিল্পী সমিতিতে সাধারণ সম্পাদকের পদ ফিরে পেয়ে জায়দ খান বলেন, এটা আমার জীবনের একটা ভয়ংকর অধ্যায়। কারণ, শিল্পীরা শিল্পীর বিরুদ্ধে এমনভাবে লাগতে পারে কোনো দিন ধারণাই করিনি। যেখানে আমাকে শিল্পী সমিতির চেয়ারে বসে সেবা করার কথা, সেখানে আমার খাওয়া নেই, ঘুম নেই অধিকারের জন্য আদালতে দৌড়াচ্ছি। প্রতিটি মুহূর্তে আমাকে নিয়ে চক্রান্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি তো ভোটে জয়ী ছিলাম। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত। এখন সংগঠনের নিয়ম মোতাবেক আমি আমার চেয়ারে বসব। সবাইকে নিয়ে কাজ করব। যাঁরা ভোট দিয়েছেন, যাঁরা দেননি, সেটা মুখ্য কিছু নয়—সবাইকে নিয়ে কাজ করে সমিতিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এটাই আমার সত্যের বিজয়।

জায়দ খান বলেন, আদালতের রায়ের পর সকালেই আমি সভাপতি সম্মানিত ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইকে ফোন করেছিলাম। আর বাধা নেই। আমি আজই শিল্পী সমিতিতে বসব। আজই দায়িত্ব পালন শুরু করে দেব। ডিপজল ভাই, রুবেল ভাইসহ আমাদের পরিষদের সবাইকে নিয়েই এই দায়িত্ব পালন করব।

জানতে চাওয়া হয়- আপিল বোর্ড ঘোষিত সাধারণ সম্পাদক নিপুণের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী ছিল? তিনি বলেন, তিনি নির্বাচিত নন। তাঁকে সাধারণ সম্পাদক বলা ঠিক নয়। তিনি ভোটে হেরেছেন। হার–জিত থাকতেই পারে। তিনি চাইলে আমরা একসঙ্গে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে পারতাম। শিল্পীদের স্বার্থে এখনো সেই পথ খোলা আছে। নিপুণের উচিত আমি জায়েদ খানের গলায় জয়ের মালা পরিয়ে দেওয়া। তাঁর প্রমাণ করা শিল্পীদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। শিল্পীদের স্বার্থে আমরা এক।

আরও পড়ুন