সোমবার, ০৪ Jul ২০২২, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

মেয়েদের উ’ত্তেজক পোশাকের জন্যই ভারতজুড়ে ধ’র্ষণ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপির বিধায়ক রেণুকাচার্য। গতকাল বুধবার ৯ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর করা একটি মন্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছিলেন, বি’কিনি অথবা ঘোমটা, জিন্স কিংবা হিজাব কে কী পরতে চায় সেটা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। একজন মহিলার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে।

এদিকে প্রিয়াঙ্কার এই মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে রেণুকাচার্য বলেন, এটি একটি অত্যন্ত নিম্নস্তরের চিন্তাভাবনা। প্রকাশ্য স্থানে বি’কিনির মত শব্দ উচ্চারণ করা ল’জ্জাজনক। স্কুল-কলেজে পড়ার সময় ছাত্রীদের সম্পূর্ণ গা-ঢাকা পোশাক পরা উচিত। পুরুষদের উ’ত্তেজিত করার পিছনে রয়েছে নারীদের খোলামেলা পোশাক। এ ধরনের পোশাকের কারণেই আজ ভারতজুড়ে ধ’র্ষণ বাড়ছে। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় একটি বিষয়। কারণ নারীদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।

এর আগে গত মাসে (জানুয়ারি) ভারতের কর্ণাটকের উদুপি জেলায় এক সরকারি কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম-সংক্রান্ত কিছু বিধি জারির পরই রাজ্যজুড়ে হিজাব বিতর্ক শুরু হয়। নতুন বিধিতে বলা হয়, হিজাব পরে ক্লাস করা যাবে না। হিজাবকে বৈষম্য সৃষ্টিকারী বলে উল্লেখ করা হয়।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী, ছাত্রীরা ‘স্কার্ফ’ পরতে পারবে। তবে তার রং হতে হবে ওড়নার রঙের সঙ্গে মানানসই। ৬ শিক্ষার্থী তখন অভিযোগ করেন, হিজাব পরতে চাওয়ায় তাদের ক্লাস করতে দেওয়া হয়নি। এ নিয়মের প্রতিবাদে মুসলমান শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানান। স্থানীয় কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠনগুলো এর বিরোধিতা করলেও দলিত হিন্দুদের অনেকে মুসলিম শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই কর্নাটকের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে হিজাব নি’ষিদ্ধ করার দাবিতে গেরুয়া উত্তরীয় পরে বিক্ষোভ করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। পাল্টা হিজাবের সমর্থনে পথে নেমেছে মুসলিম শিক্ষার্থীরা। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া।

আরও পড়ুন