বৃহস্পতিবার, ৩০ Jun ২০২২, ১০:৪১ অপরাহ্ন

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন সারাদেশের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। এর অন্যতম একটি কারণ একুশে পদকজয়ী অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি হয়েছেন। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে নিপুণ ও জায়েদ খানের প্রতিযোগিতা। এ পদে জটিলতা গিয়ে পৌঁছেছে আদালতে৷ বর্তমানে আদালত পদটিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত আসবে কে হবেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

গতকাল বৃহস্পতিবার ১০ ফ্রেব্রুয়ারি আদালতের আদেশ অমান্য করেই সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন নিপুণ, এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এমনকি নিজের নাম লেখা সাধারণ সম্পাদকের নেমপ্লেটও সামনে নিয়ে বসেন নিপুন।

এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়লে চলচ্চিত্রাঙ্গণে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকে বলছেন, আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও নিপুন এ কাজ করল কীভাবে? তিনি কী আদালতের নির্দেশনা অমান্য করলেন?

এ ব্যাপারে সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন ডিপজল বলেন, আইন সবার জন্য সমান। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বিষয়টি যেহেতু আদালতে বিচারাধীন, তাই বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিপুন বা জায়েদ যে-ই হোক না কেন, কারোই আদালতের নির্দেশনা অমান্য করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে কাজটি ভালো হয়নি। যেহেতু আমরা জানি, আদালত ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিপুন বা জায়েদ কাউকেই দায়িত্ব পালনের আদেশ দেন নাই, তাই দুজনেরই এই আদেশ মানতে হবে।

তিনি বলেন, কেউ অমান্য করলে বা জোর জবরদস্তি করলে এটা আইনের লঙ্ঘন হয়েছে কিনা, তা আদালত দেখবে। তবে আমার মতে, এটা কোনোভাবেই উচিৎ হয়নি। আইনের প্রতি সবারই শ্রদ্ধা থাকতে হবে এবং মানতে হবে। আমি মনে করি, আইন-আদালত যার পক্ষে রায় দেবে, সে-ই দায়িত্ব পালন করবে। এখানে জোর জবরদস্তির বিষয় নেই। আমরা শিল্পীরা সবাই এক পরিবারের সদস্য। এখানে কোনো ধরনের ঝগড়া-ঝাটি করা উচিত নয়

আরও পড়ুন