শনিবার, ০২ Jul ২০২২, ১১:৩২ অপরাহ্ন

উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসীদের ভিক্ষাবৃত্তিতে নিরুৎসাহিত করছে আমিরাত কর্তৃপক্ষ। অবৈধ পথে অর্থ ইনকামের এই চর্চা রোধে কঠোর আইনও রয়েছে উপসাগরীয় এই দেশটিতে।

অনেকদিন যাবত আমিরাতের প্রাদেশিক শহরগুলোতে আলাদা আলাদাভাবে প্রচার-প্রচারণা করা হচ্ছে। প্রকাশ্যে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িতদের আটক এবং শাস্তির আওতায় আনছে দেশটির পুলিশ।

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ সপ্তাহ চলাকালে প্রাদেশিক সিটি আজমানে ৪৫জন ভিক্ষুককে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ, ১৬ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।

আজমান পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ডাইরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আহমেদ সাঈদ আল নুয়াইমি সংবাদমাধ্যমকে বলেন,গ্রেফতারকৃত ৪৫ জন ভিক্ষুকের মধ্যে নানা বয়সী এশিয়ান এবং আরবের নাগরিক রয়েছে।

তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের নানাস্থানে নিজেকে দরিদ্র এবং অভাবী দাবি করে ভিক্ষা করছিল। ভিক্ষুকদের এমন কর্মকাণ্ড সামাজিকভাবে অন্যদের অসুবিধা সৃষ্টি করে এবং বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।

উপসাগরীয় এই দেশটির ফেডারেল ‘ল’ অনুযায়ী আমিরাতে ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে স্পষ্ট আইন রাখা হয়েছে।

প্রতারণা কিংবা নিজেকে অসহায় সাজিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্যদের সহানুভূতি আদায় করে টাকা চাওয়া অপরাধ।

এই অপরাধে ৩ মাসের জেল এবং ৫ হাজার আমিরাতি দিরহাম জে’লে’র বিধান রয়েছে। একই আইনে কোনো ব্যক্তি যদি সংঘবদ্ধভাবে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত থাকে কিংবা পরিচালনা করে তাহলে তাকে ৬ মাসের জে;ল ও ১ লক্ষ দিরহাম পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেয়া হতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্য নগরী দুবাই পুলিশের ইনফিল্ট্রেটরস ডিপার্টমেন্ট এর ডিরেক্টর কর্ণেল আলী সালেম এক সাক্ষাৎকারে জানান, ভিক্ষুকরা মানুষের উদারতার সুযোগ নেয়। যা সামাজিক নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে। ভিক্ষার জন্য নানাভাবে তারা শিশুদেরও ব্যবহার করে। এটিও একটি অপরাধ।

তাই প্রবাসীরা এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকবেন। তাতে বড় ধরনের বিপদে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুন