বুধবার, ২৯ Jun ২০২২, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

আজ দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। কিন্তু বিএনপিই দুমড়ে-মুচড়ে ধ্বংস করে দিয়েছে এই ব্যবস্থা। তারা কুক্ষিগত করে ছিল এই ব্যবস্থাকে। পরতে পরতে বেআইনী কাজ করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’ আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট নগরীর পাঠানটুলায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ‘ক্যাথল্যাব’র উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এখন গণতন্ত্র শেখাতে চায়। তাদের মুখে এমন সবক খুবই দু:খজনক। তারা সবসময় পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু সেই সুযোগ আর নেই। নির্বাচন করতে চাইলে নির্বাচনের পথে আসতে হবে তাদেরকে। তাদেরকে জনতার কাছে আসতে হবে। জনতাই হচ্ছে ভোটের মালিক, দেশের মালিক। স্বচ্ছ ইলেকশন কমিশন হবে, সেই কমিশনের মাধ্যমে যে নির্বাচন হবে সেটা অবশ্যই স্বচ্ছ হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এই দল ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়েছিল। পৃথিবীতে খুব কম দেশ আছে যারা গণতন্ত্রের জন্য রক্ত দিয়েছে। আমাদের ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়েও এ দেশে গণতন্ত্রকে পরিপক্ষতা দিতে বিভিন্ন ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খোদ আমেরিকায়ই কোন নির্বাচন কমিশন নেই। যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সে-ই নির্বাচন করে। আমরা এ দেশে নির্বাচন কমিশন করি, যাতে স্বচ্ছ নির্বাচন হয়। কারণ আমরা সবসময় গণতন্ত্র ও স্বচ্ছ নির্বাচনে বিশ্বাসী।

এ সময় জিয়াউর রহমানের সময়কার ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা যখন ক্ষমতায় আসলেন তখন ‘ইয়েস’ ‘নট’ ভোট দিলেন। ভোট গ্রহণের দায়িত্ব পালনকারীদের বলে দিলেন যাতে সবাই ‘ইয়েস’ ভোট দেয়। এতে ৯৮ শতাংশ ভোট পড়ে ‘ইয়েস’-এ। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পরে তা কমিয়ে ৮৮ শতাংশ করা হয়। বিএনপি এভাবেই সবসময় পেছনের দরজা দিয়েই ক্ষমতায় এসেছে।

আরও পড়ুন